স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ ১০ম শ্রেণীর এক ছাত্রীর বিয়ের খবর পেয়ে বিয়ে বাড়ি কমিশনার গেলে বর ও তার দুলাভাই পালায়। মেয়ের বাবা বাঁচার জন্য নিজেকে মেয়ের দুলাভাই বলে পরিচয় দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না।
শুক্রবার দুপুরে উপজেলার দয়াপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। দুপুর সাড়ে ১২ টা। ১০ম শ্রেণীর এক ছাত্রীর বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। এমন সময় সেখানে হাজির হলেন কালীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ভুপালী সরকার।
তাদের উপস্থিতিতে অবস্থা বেগতিক দেখেই বিয়ের আসন থেকে সটকে পড়েন বর ও তার মামা। এদিকে মেয়ের পিতা প্রথমে দুলাভাই সেজেও রক্ষা পায়নি। পরে তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়। এবং ওই বাল্য বিয়েটি বন্ধ করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট ও সহকারী কমিশনার ভুপালী সরকার জানান, ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ মহোদ্বয়ের মাধ্যমে একটি বাল্য বিয়ে হচ্ছে ম্যাসেজ পান। এ খবর পেয়েই তিনি পুলিশ ফোর্স নিয়ে দুপুরে বিয়ে বাড়ী মেয়ের মামা দয়াপুর গ্রামের আজিজুল হকের বাড়ীতে উপস্থিত হন।
তিনি সেখানে দেখতে পান বিয়ের সকল প্রস্তুতি চলছে। এ সময় মেয়ের পিতা আরিফ শেখ তার সামনে এসে নিজেকে প্রথমে মেয়ের দুলাভাই বলে পরিচয় দেন। পরে তাকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে ৬ মাসের কারাদন্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে গাড়ীতে তোলার পরই স্বীকার করেন তিনিই মেয়ের বাবা। এদিকে অবস্থা বেগতিক দেখে বিয়ের আসন ছেড়ে পালিয়ে যায় বর ও তার মামা।
নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট আরো জানান, উপজেলার শালিকা গ্রামের কনে ও রঘুনাথপুর গ্রামের বর ইন্তাদুল ইসলামকে পার্শ্ববর্তী দয়াপুর গ্রামে কনের মামা বাড়িতে নিয়ে গোপনে বিয়ে দেবার চেষ্টা করছিল তারা।




