চিকিৎসক, নার্সসহ অন্যান্য কর্মীগণ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে করোনা রোগীর কাজ করছেন তাদের জন্য বিশেষ সম্মানী বাবদ ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ সোমবার সন্ধ্যায় (১৩ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ ১৪২৭ উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে এ ঘোষণা দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসক, নার্সসহ অন্যান্য কর্মীগণ সম্পদের সীমাবদ্ধতা এবং মৃত্যুর ঝুঁকি উপেক্ষা করে এবারে সামনের কাতারে থেকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাঙালির সর্বজনীন উৎসব বাংলা নববর্ষ। প্রতিটি বাঙালি আনন্দ-উল্লাসের মধ্য দিয়ে উদযাপন করে থাকেন এই উৎসব। কিন্তু এ বছর বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের মহামারির কারণে পয়লা বৈশাখের ঘরের বাইরের সব অনুষ্ঠানের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এর আগে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধন অনুষ্ঠান এবং স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানও জনসমাগম এড়িয়ে রেডিও, টেলিভিশন এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সম্প্রচার করা হয়েছে। পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানও আমরা একইভাবে উদযাপন করবো।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৃহত্তর জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করেই সব সিদ্ধন্ত নেয়া হয়েছে। আমরা ঘরে বসেই এবারের নববর্ষের আনন্দ উপভোগ করবো। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল বিটিভি ও বাংলাদেশ বেতারে একযোগে সম্প্রচারের পাশাপাশি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও রেডিও স্টেশনগুলোও প্রধানমন্ত্রীর এ ভাষণ প্রচার করছে।
শেখ হাসিনা বলেন, করোনাভাইরাসের যে গভীর আঁধার আমাদের বিশ্বকে গ্রাস করেছে, সে আঁধার ভেদ করে বেরিয়ে আসতে হবে নতুন দিনের সূর্যালোকে। তাই কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের ভাষায় তাই বলতে চাই: মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়/আড়ালে তার সূর্য হাসে/হারা শশীর হারা হাসি/অন্ধকারেই ফিরে আসে।



