দশমিনায় আওয়ামীলীগ নেতা কর্তৃক তথ্য ও প্রযুক্তি আইনে দু’সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা।

মু.নজরুল ইসলাম:  পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় কর্মরত দু’সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তথ্য ও প্রযুক্তি আইন ২০০৬ এর ৫৭ ধারায় মামলা হয়েছে।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. সিকদার গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে দশমিনা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দি এশিয়ান এজ দশমিনা প্রতিনিধি নিপুণ চন্দ্র ও দৈনিক জনতা উপজেলা প্রতিনিধি সঞ্জয় ব্যানার্জীসহ দু’জনের বিরুদ্ধে ১৬ মে, ২০১৭ মামলাটি (এম.পি. ৫৯/২০১৭) দায়ের করেন।
সোমবার বিজ্ঞ বিচারক মোহাম্মাদ হোসেন ওসি দশমিনাকে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার বিবরণে উল্লেখ করেন, আসামীদ্বয় হলুদ সাংবাদিক। আমার রাজনৈতিক ও পেশার সততা, সুনামে কতিপয় অসাধুব্যক্তি ঈর্ষাকাতর। তারা আসামীদ্বয় অবৈধভাবে লাভবান হইয়া বা হওয়ার আশার ৮ মে, ১১মে ও ১২ মে ২০১৭ তারিখ আমার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বিরুদ্ধে নিজস্ব ফেসবুক মাধ্যমে মিথ্যা, মনগড়া, ভিত্তিহীন মানহানিকর ও উস্কানিমূলক খবর লিখে ছড়িয়ে দেয়। আমার দাদা হিন্দুদের জমি দখল করেছে, বাড়ীঘর লুটপাট করেছে, সেই রক্ত আমার শরীরে প্রবাহমান। এতে আমার ব্যাক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক পেশার অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।
এ বিষয়ে দি এশিয়ান এজ দশমিনা প্রতিনিধি নিপুণ চন্দ্র ঘটনার সাথে জড়িততার বিষয় অস্বীকার করে বলেন, গত ৮ মে উপজেলার আলীপুর বাজার সংলগ্নে সংখ্যালঘু বিধবা কানন বালার হাত- পা বেঁধে অমানবিক নির্যাতন ও জমি দখল করে ঘর উত্তোলন সংবাদ সংগ্রহে গেলে উপজেলার এক আওয়ামীলীগ নেতা ও ইউএনও ঘর তুলতে বলছে বলে জানায়। যার ভিডিও আমার কাছে সংরক্ষিত আছে। কিন্তু ফেসবুক মাধ্যমে বাদি সিকদার গোলাম মোস্তফা এর নাম কোন পোস্টে উল্লেখ করা হয় নাই।
এদিকে, দৈনিক জনতা পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধ সঞ্জয় ব্যানার্জী বলেন, আমি কোন দিন বাদির নাম করে কোন পোস্ট প্রকাশ করি নাই।
এ বিষয়ে ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, সোমবার মামলাটি হাতে পেয়েছি। এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন বিজ্ঞ বিচারক মহোদয়।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।