× Banner
সর্বশেষ
২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৫০% কমানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের আজ ৪ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২১ জুলাই মঙ্গলবারের পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সততা চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন পাইলট প্রকল্পে ৯৯ হাজার শিক্ষার্থী পাবেন বিনামূল্যের পাটের স্কুল ব্যাগ সরকারের ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিমার্জনের উদ্যোগ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগে এনজিওদের এগিয়ে আসার আহ্বান জ্বালানিমন্ত্রীর ২০২৭ সালের হজে ব্যাকঅ্যাপ আবাসন ১% রাখার অনুরোধ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে – প্রধানমন্ত্রী পাইকগাছায় সুন্দরবনের প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ প্রতিরোধে অভিজ্ঞতা বিনিময় বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত 

পিআইডি

আবিরার দাবিতে লোহালিয়া নদীতে বগা সেতু, আগামী বছরের শুরুতেই কাজ শুরুর ঘোষণা

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬
লোহালিয়া নদীতে বগা সেতু

জনগণের দুর্ভোগ কমাতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। ছোট্ট শিশু আবিরার “বগা সেতু চাই” দাবিকে গুরুত্ব দিয়েই লোহালিয়া নদীর ওপর বগা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং আগামী বছরের প্রথম দিকেই এর কাজ শুরু হবে। বলেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুর ১টায় পটুয়াখালী জেলার দুমকী উপজেলার চরগরবদী ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা মাঠ প্রাঙ্গণে নতুন সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

সড়ক ও সেতু মন্ত্রী বলেন, “গ্রামীণ অর্থনীতিকে শহরের মূল অর্থনৈতিক কাঠামোর সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত করতেই এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ফলে গ্রামের কৃষিপণ্য, কুটির শিল্প ও স্থানীয় উৎপাদিত সামগ্রী কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি শহরের বড় বাজারে পৌঁছাতে পারবে। এতে কৃষক ও গ্রামীণ উদ্যোক্তারা তাদের পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবেন।”

তিনি আরো বলেন, সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে যাতায়াতের সময় ও ব্যয় কমবে, সৃষ্টি হবে নতুন কর্মসংস্থান এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা উন্নত শিক্ষার সুযোগ পাবে।

সেতুমন্ত্রী জানান, বগা সেতুর চূড়ান্ত নকশা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এখন প্রয়োজনীয় কমপ্লিমেন্টারি কাজ শেষ হলেই আগামী মাসের মধ্যে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এবং আগামী বছরের শুরুতেই নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।

পরিদর্শনকালে তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রকৌশলী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং সম্ভাব্য সেতু এলাকা, নদীর প্রবাহ, মাটির গঠনসহ বিভিন্ন বিষয় সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি বলেন, সেতুটি নির্মিত হলে পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন উপজেলার সঙ্গে রাজধানী ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ আরও সহজ ও দ্রুত হবে।

মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে জরুরি চিকিৎসাসেবার বিষয়টিও বিশেষভাবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “এই সেতু নির্মিত হলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের রোগীরা ফেরি বা নৌকার জন্য অপেক্ষা না করে সরাসরি অ্যাম্বুলেন্সে করে দ্রুত শহরের আধুনিক হাসপাতালে পৌঁছাতে পারবেন। হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক কিংবা প্রসূতি মায়েদের জটিল পরিস্থিতিতে এটি জীবনরক্ষাকারী ‘লাইফলাইন’ হিসেবে কাজ করবে।”

এসময় তিনি আরো বলেন, ঝড়-তুফান কিংবা রাতের অন্ধকারেও ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন যাতায়াত নিশ্চিত হওয়ায় মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। একটি শক্তিশালী যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে সুষম ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পথ আরও সুদৃঢ় হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সাবেক মন্ত্রী এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, একসময় অবহেলিত ও অনুন্নত হিসেবে পরিচিত পটুয়াখালী আজ উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তাঁর শাসনামলে এ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা ও কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। পরবর্তীতে তাঁর সহধর্মিণীও উন্নয়নের সেই ধারা অব্যাহত রাখেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তাঁর নেতৃত্বে আধুনিক প্রযুক্তি, অবকাঠামো উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে পটুয়াখালীসহ সারাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন।

পরিদর্শনকালে পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মঈনুল হাসান, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী, পুলিশ সুপার মোঃ আবু ইউসুফ, জেলা পরিষদের প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..