অধিক পরিমাণ খাদ্যদ্রব্য মজুত করলে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন

অধিক পরিমাণ খাদ্যদ্রব্য মজুত করলে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন
খাদ্যদ্রব্য মজুত করলে সর্বোচ্চ শাস্তি

খাদ্যদ্রব্য সম্পর্কিত মিথ্যা তথ্য, ক্ষতিকর কৃত্রিম উপাদান মিশ্রণ করে উৎপাদন-বিপণন, লাইসেন্স ছাড়া বা মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স দিয়ে ব্যবসা করলে ২ বছর কারাদণ্ড অথবা অন্যূন ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে। সরকার নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে অধিক পরিমাণ খাদ্যদ্রব্য মজুত করলে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন বা অনুর্ধ্ব ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে। অপরাধটি হবে জামিন অযোগ্য বিধান রেখে বিল পাস হয়েছে।

বুধবার (৫ জুলাই) খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে পাস হয়।

পাস হওয়া বিলে বলা হয়, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পরিমাণের অধিক পরিমাণ খাদ্যদ্রব্য মজুদ করলে বা মজুদ সংক্রান্ত সরকারের কোনো নির্দেশনা অমান্য করলে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনুর্ধ্ব ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে। অপরাধটি হবে জামিন অযোগ্য।

খাদ্যদ্রব্য বলতে যেকোনো প্রকার দানাদার খাদ্যদ্রব্য অর্থাৎ চাল, ধান, গম, আটা, ভুট্টা ইত্যাদিকে বোঝানো হয়েছে।

এছাড়া খাদ্যদ্রব্যের সঙ্গে মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কৃত্রিম উপাদান মিশ্রণ করে উৎপাদন ও বিপণন করলে এবং লাইসেন্স ছাড়া বা মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স দিয়ে ব্যবসা চালালে ২ বছর কারাদণ্ড অথবা অন্যূন ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে।

বিলে আরও বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি খাদ্যদ্রব্যের উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণন সম্পর্কিত কোনো মিথ্যা তথ্য বা বিবৃতি তৈরি, মুদ্রণ, প্রকাশ, প্রচার বা বিতরণ করলে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

বিলের বিষয়ে সংসদে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এই আইনের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। অবৈধভাবে খাদ্যদ্রব্য মজুদের কোনো সুযোগ থাকবে না এবং জনস্বার্থ সমুন্নত হবে মর্মে আশা করা যায়।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Brinda Chowdhury
লেখক / প্রতিবেদক

Brinda Chowdhury

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।