× Banner
সর্বশেষ
দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উপদ্রুত এলাকায়  আশ্রয় ও ত্রাণ কার্যক্রম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই আমাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয়: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম শিক্ষা ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ-চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে রোহিঙ্গা ও করিডোর নিয়ে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাক্ষাৎ মধুখালীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট সভাপতি ও ইউনিট লিডারদের সাথে মতবিনিময় সভা যখনই বাংলাদেশের জনগণ বিপদে পড়েছে, চীন পাশে দাঁড়িয়েছে – ইয়াও ওয়েন দিল্লি বিক্ষোভের পর মোদি সরকারের কাছে রাহুল গান্ধীর ৫ দফা দাবি

১৯ ঘণ্টা পর নালায় পড়া শিশুর লাশ উদ্ধার

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ১৪ জুলাই, ২০১৬

স্টাফ রিপোর্টার: পয়োনিষ্কাশনের নালায় পড়ার ১৯ ঘণ্টা পর শিশু সানজিদা আক্তারের (৬) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে রাজধানীর মহাখালীতে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।

গতকাল বুধবার বেলা ৩টার দিকে খেলার সময় নালার পানিতে ডুবে যায় সে। রাত ১টা পর্যন্ত তাকে খুঁজে না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান স্থগিত করে। পরে আজ সকাল পৌনে ৮টা থেকে আবারও উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিসের সহকারী উপপরিচালক আনোয়ার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আজ সকাল পৌনে ৮টা থেকে শিশুটিকে উদ্ধারে অভিযান শুরু হয়। অভিযান শুরুর দুই ঘণ্টার মধ্যে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশুটি নালার ঠিক যেখানে পড়ে গিয়েছিল, তার থেকে কিছু দূরে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মরদেহ ময়লায় আটকে গিয়েছিল।

শিশু সানজিদার বাবার নাম শাহ আলম। পেশায় ভ্যানচালক শাহ আলম পরিবার নিয়ে ওই এলাকার ৭৩/১২, রিপন মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকেন। শাহ আলমের বাড়ি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে। অনেক আগে থেকেই তারা ঢাকায় এসেছেন। রুবেল, রাসেল ও শান্তা নামে আরো তিন সন্তান রয়েছে শাহ আলমের। চার সন্তানের মধ্যে সানজিদা সবার ছোট।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার দুপুরে অপর এক শিশু তামিমের সঙ্গে খেলতে যায় সানজিদা। হঠাৎ করে সে ঝিলের ময়লাযুক্ত নালায় তলিয়ে যায়। পরে তামিমই দৌড়ে এসে সানজিদার বাসায় খবর দেয়।

স্থানীয়রা আরো জানান, ময়লা জমে থাকা এ নালাটি ১০-১২ ফুট গভীর। নালাটির নিচে পাকা থাকলেও তার ওপরে প্রায় দুই থেকে আড়াই ফুট পর্যন্ত ময়লার স্তূপ রয়েছে। মহাখালী বাস টার্মিনালের পেছনের এই নালাটি নিকেতন হয়ে সরাসরি রামপুরা ব্রিজের কাছে গিয়ে মিশেছে। ২০১২ সালের শেষ দিকে পয়োনিষ্কাশনের জন্য এ নালা তৈরি হয়।

এলাকাবাসী জানান, পয়োনিষ্কাশন নালাটির মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে নিকেতন পর্যন্ত কোনো ঢাকনা ছিল না। ঢাকনা থাকলে এই দুর্ঘটনা ঘটত না।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..