করোনা ভাইরাস মোকাবিলা করার জন্য যা যা করা দরকার আমরা তা করে যাচ্ছি। আমাদের পদক্ষেপের ফলে আজকে এই করোনা ভাইরাস অনেকটা নিয়ন্ত্রণে। স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে চললে এই প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি আমাদের দেশ থেকে চলে যাবে। বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) কুমুদিনী ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ক্যান্সার রিসার্চ-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
টিকা নিয়ে আর কোনো সমস্যা নেই জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, টিকা নেওয়ার ব্যাপারে অনেকে একটু দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিল। এখন সবাই খুব আগ্রহ ভরে, উৎসাহ নিয়ে চলে আসছে টিকা দিতে।
‘আমরা বলে দিয়েছি, ৪০ বছরের উপরে যারা তারা টিকা পাবে এবং আইডি কার্ড নিয়ে যাওয়ার পর তারা ফর্ম পাবে, তারা রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। রেজিস্ট্রেশনের হওয়ার পর তারা টিকা পাবে। ’
মেডিক্যাল গবেষণা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, রিসার্চটা যাতে হয়, আমাদের দেশে রিসার্চের সুযোগটা খুবই কম। বিশেষ করে মেডিক্যাল সায়েন্সের রিসার্চ খুব বেশি একটা হচ্ছে না। যেটা হওয়া একান্তভাবে প্রয়োজন। আসলে যাদের রিসার্চ করার কথা সকলেই ডাক্তার হয়ে রোগী দেখতে এত ব্যস্ত, বসে রিসার্চ- খুবই হাতে গোনা কয়জনকে আমি দেখি, তাদের পাবলিকেশন এবং রিসার্চ।
সরকার প্রধান বলেন, ক্যান্সার এমন একটা রোগ, আজকে এমন তার প্রাদুর্ভাব হচ্ছে, কিন্তু দুর্ভাগ্য তার যে প্রকৃত ডায়াগনোসিস করা বা সেভাবে আমাদের পরিবেশ, আবহাওয়া, জলবায়ুর সঙ্গে এই ক্যান্সার কীভাবে বিস্তার লাভ করে তার ওপর রিসার্চ করা বা এটার চিকিৎসা করবার জন্য যে রিসার্চ দরকার সেটা খুব কম আমাদের দেশে হয়। রিসার্চটা আমাদের জন্য একান্তভাবে অপরিহার্য।
নারায়ণগঞ্জের কুমুদিনী কমপ্লেক্স প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ -৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান, কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা ও পরিচালক শ্রীমতি সাহা।




