× Banner
সর্বশেষ
নড়াইলে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর যশোরে বিজিবির অভিযানে ৪৬ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা মূল্যের ২ পিচ স্বর্ণবারসহ আটক-১ ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় এমপি গাজী নজরুল ইসলামের শ্যামনগরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা রোগ শনাক্তে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে স্বাস্থ্যকর্মীরা -স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী শৈলকুপায় ট্রাক চাপায় পথচারী নিহত হরিণাকুন্ডুর সোনাতনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ঘাটতির পর বেনাপোল কাস্টমসের নতুন লক্ষ্য ১০,৫৮৮ কোটি স্বাস্থ্যসেবায় বৈষম্য দূর করতে ‘ন্যাশনাল হেলথ কার্ড’ চালু করছে সরকার – আইসিটি মন্ত্রী মাদারীপুরে মানবপাচারচক্রের সক্রিয় সদস্য ১৫ মামলার আসামি জুলহাস গ্রেফতার

সুন্দরগঞ্জে সুপারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীর বিক্ষোভ

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ, ২০১৬

শেখ মামুন-উর-রশিদ, রংপুর ব্যুরো : গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার বেলা ১২ টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।

মিছিলটি এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে গিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।
জানা গেছে, উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের রামধন গ্রামের রহমতপুর এবি ডি এইচ ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার (ভারপ্রাপ্ত) ওয়াছেল মিয়ার বিরুদ্ধে বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা এ বিক্ষোভ মিছিল করেন।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, ‘বর্তমান সুপার (ভারপ্রাপ্ত) মাদ্রাসার কম্পিউটার শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। কর্মরত অবস্থায় তিনি মাদ্রাসার সচল কম্পিউটার বিক্রি করেন। এরপর আমাদের প্রশিক্ষণের জন্য জেলা শিক্ষা অফিস থেকে একটি ল্যাপটপ দেয়। কিন্তু সেটা আমাদের জন্য ব্যবহার না করে তার নিজের জন্য ব্যবহার করছেন। এর প্রতিবাদ করলে তিনি আমাদের বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করেন।’ মাদ্রাসার সহ: শিক্ষক আমজাদ হোসেন জানান, তিনি সুপার (ভারপ্রাপ্ত) হওয়ার পর থেকে মাদ্রাসার সুপার নিয়োগ দেয়ার জন্য ৮ লক্ষ্য টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

এ ছাড়াও এবতেদায়ী ক্বারী ও দপ্তরী নিয়োগের জন্য মোট ১৩ লক্ষ্য টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। কিন্তু মাদ্রাসার উন্নয়নে কোন অর্থ ব্যয় করেননি। তা ছাড়াও সুপার নিয়মিত মাদ্রাসায় উপস্থিত না হয়ে দলীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মিছিল করেন, পরে রাতের আধারে শিক্ষক হাজিরা বইয়ে উপস্থিতের সই করেন।

এদিকে, মাদ্রাসায় সুপারের দূর্নীতির অবসান চেয়ে শিক্ষকরা বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সুপার (ভারপ্রাপ্ত) ও মাদ্রাসার সভাপতি তাদের বেতন-ভাতা বন্ধ করে দেন। এরই প্রতিবাদে দুপুরে শিক্ষার্থীরা সিমাহীন দূর্নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেন। এ বিষয়ে মাদ্রাসার সুপার (ভারপ্রাপ্ত) ওয়াছেল মিয়া সকল অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, কতিপয় কিছু শিক্ষক ছাত্র-ছাত্রীদের উষ্কে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..