× Banner
সর্বশেষ
ওভারথিংকিং ডিটক্স ব্লুপ্রিন্ট বইটির মোড়ক উন্মোচন করলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, অধিকাংশ জেলায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরছে প্রস্তাবিত কর্পোরেট গভর্ন্যান্স রুলস ২০২৬ নিয়ে আইসিএসবির সিপিডি প্রোগ্রাম মাগুরায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান পানি সম্পদমন্ত্রীর মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে পুশইন চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ঝিনাইদহে প্রথমবার পালিত হলো বিশ্ব পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবস তথ্য ও উপাত্তের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে কাজ করাই পেশাদার সাংবাদিকতার মূল দর্শন – তথ্যমন্ত্রী Inner Wheel Club of Dhaka Cosmopolitan 2026–2027 Handover Ceremony & Collar Exchange Program ব্যবসা সম্প্রসারণেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব, ব্যবসায়ীদের প্রতি পরিবেশমন্ত্রীর আহ্বান

রনজিৎ বর্মন শ্যামনগর(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি

শ্যামনগরে কৃষক নেতৃত্বে দেশীয় ধান রক্ষায় মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

Kishori
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
কৃষক নেতৃত্বে দেশীয় ধান রক্ষায় মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে কৃষক নেতৃত্বে ধান জাত গবেষণার মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলার কৈখালী ইউপির মধ্য কৈখালী গ্রামে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক ও মধ্য কৈখালী আইপিএম কৃষি ক্লাবের আয়োজনে ১৬২টি স্থানীয় আমন ধানের জাত নিয়ে  মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।

শ্যামনগর গ্রীন কোয়ালিশনের সভাপতি কৃষ্ণানন্দ মুখার্জির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. নাজমুল হুদা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  কৈখালী ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম, বারসিক ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সাংবাদিক রনজিৎ বর্মণ।

মাঠ দিবসের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য তুলে ধরে বক্তব্য দেন বারসিকের সহযোগী আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন  বারসিক কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ মন্ডল, কৃষক নেতা লোকনাথ মন্ডল, নিমাই মন্ডল, হাবিবুর রহমান,  কৃষানী নাজমুন নাহার, ভগবতী রানী ও লুৎফর রহমান।

বক্তারা বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে নিয়মিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ, লবণাক্ততা ও জলাবদ্ধতার কারণে ধান চাষ এক বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। একসময় এ অঞ্চলে বহু স্থানীয় ধানের সমাহার থাকলেও এখন হাইব্রিড ও উফশী জাতের উপর নির্ভরতা বেড়ে গেছে। স্থানীয় ধানের বহু জাত বিলুপ্তির পথে। এসব হারিয়ে যাওয়া ধানের জাত পুনরুদ্ধার, সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে বারসিক এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। স্থানীয় জাত টিকিয়ে রাখতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে তারা মন্তব্য করেন।

অংশগ্রহণকারী কৃষক নেতা নিমাই মন্ডল বলেন, “হাইব্রিড ও উফশী ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে নানা সরকারি উদ্যোগ থাকলেও স্থানীয় জাত সংরক্ষণে তেমন উদ্যোগ নেই। খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু সহনশীল কৃষির জন্য স্থানীয় জাত রক্ষা করা অপরিহার্য।”

অনুষ্ঠানের শুরুতে কৃষকরা গবেষণাধীন ধান প্লট পরিদর্শন করেন এবং জলাবদ্ধতা সহনশীলতা, লবণাক্ততা সহনশীলতা, কম সার প্রয়োজন, কম পোকামাকড়, ঘন গাঁথুনি, লম্বা শিষ, চিকন দানা ও সুগন্ধসহ বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পছন্দের জাত নির্বাচন করেন।
কৃষকদের নির্বাচিত জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে আরমান, স্বর্ণমাশুরী, নারকেল মুচি, চিনিকানি, দারশাইল, তালমুগুর, মালাগেতী, দিশারী, নেপালি, পিঁপড়ার চোখ, সীতাভোগ ও পাটনাইসহ আরও কয়েকটি স্থানীয় ধানের জাত।

ছবি- শ্যামনগরে কৃষক নেতৃত্বে দেশীয় ধান রক্ষায় মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন উপজেলা কৃষি অফিসার নাজমুল হুদা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..