স্টাফ রিপোর্টার বেনাপোলঃ যশোর জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বলেছেন,নির্য়াতিত নিপীড়িত শোষিত বঞ্চিত মানুষকে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর শৃঙ্খলের আবদ্ধ থেকে যখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ৭ মার্চে রেসকোর্সের ময়দানে ভাষন দিল তখন থেকে তার বিরুদ্ধে পাকিস্থানীরা ও এদেশের দোসররা হত্যার জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে থাকল।
বঙ্গবন্ধু যখন পাকিস্থান কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে এসে এদেশের সাড়ে ৭ কোটি মানুষের ভাগ্যন্নয়নের জন্য স্বপ্ন দেখতে লাগলেন আর স্বপ্ন দেখালেন ঠিক সেই সময় ৭৫ এর ১৫ আগষ্ট তাকে নির্মমভাবে স্বপরিবারে হত্যা কারে বাংলাদেশকে বীরের জাতি থেকে বেঈমানের জাতিতে দাঁড় করাল বিশ্বের কাছে কতগুলো পাষন্ড ঘাতক। তাই আমাদের শোককে শক্তিতে রুপান্তরিত করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে হবে। ৭৫ এর ১৫ আগষ্টের পর হাজার হাজার কোটি টাকা খরছ করে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল অপপ্রচার প্রপাগান্ডা করা হয়েছিল এবং বাংলার ৬৮ হাজার গ্রামে বঙ্গবন্ধুর নামটি উচ্চারন করার সাহস কারো ছিল না এই হত্যা কারিদের জন্য।কথা গুলো বললেন ১৫ আগষ্ট জাতিয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর ৪৩ তম শাহদত বার্ষিকীর শার্শা ইউনিয়ন আয়োজিত শোক দিবসের অনুষ্ঠানে মেয়র লিটন।
শার্শা ইউনিয়নের নাভারন বাজারে আওয়ামীলীগ আয়োজিত শার্শা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ- সভাপতি আবু হানিফের সভাপতিত্বে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর ৪৩ তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি মেয়র লিটন বলেন,৭৫ এর ১৫ আগষ্টের পর অত্যান্ত সুচতুর ভাবে জেলা ইউনিয়নের নেতা কর্মীদের হত্যা করা হয়েছে। ষড়যন্ত্রকারীরা পৃথিবীর সব থেকে নিরাপদ জায়গা হচ্ছে জেল খানা সেই জেল খানায় এদেশের সূর্য সন্তান জাতিয় ৪ নেতাকে হত্যা করেছিল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নাম মুছে ফেলে দেওয়ার জন্য । এর চেয়ে খারাপ উদাহরন আর পৃথিবীর ইতিহাসে থাকতে পারে না। আর তখন সেই হত্যা কারিদের যাতে আর বিচার না হয় জিয়াউর রহমান আইন করে বিচার বন্ধ করে দিল । এর চেয়ে কলংক আর কি হতে পারে। বাঙ্গালী জাতির সব থেকে সম্মান জনক মর্যদা সম্পন্ন অধ্যায় হলো জাতির জনক শেখ মুজিব। শেখ মুজিবের বড় শক্তি ছিল সততা ও সাহস। তাই তিনি তার সাহসী বক্তব্য দিয়ে এদেশের সাড়ে সাতকোটি মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ল । যারা শেখ মুজিবের নাম মুছে ফেলতে চেয়েছিল তাদের স্বপ্ন পুরুন হয়নি। বাংলাদেশ আওয়ামলীলীগের একটি কর্মী বেচে থাকতে বাংলার মানচিত্র থেকে পৃথিবীর ইতিহাস থেকে শেখ মুজিবের নাম মুছে ফেলার ক্ষমতা কারো নাই। শেখ মুজিব হচ্ছে একটি অনুভুতির নাম শেখ মুজিব হচ্ছে একটি আদর্শের নাম শেখ মুজিব হচ্ছে একটি ভালবাসার নাম একটি দেশের নাম, শেখ মুজিব হচ্ছে একটি চেতনার নাম, একটি পতাকার নাম একটি ভুখন্ডের নাম।
প্রধান অতিথি বলেন, তাই আমাদের আর শোক না আর কান্না না আমাদের শোককে শক্তিতে রুপান্তরিত করে আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে। আমারা এমন একটি শার্শা তৈরী করতে চাই যে শার্শা হবে শান্তি স্বস্তি ও উন্নয়নের। শার্শায় কোন একক ক্ষমতা থাকবে না। সকল ক্ষমতা হবে শার্শার জনগনের। এ প্রত্যায় নিয়ে আগামি দিনের উন্নয়নের শার্শা গড়ার জন্য তিনি সকল পথের মতের মানুষ এবং যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
যশোর জেলা শিক্ষাবিষয় সম্পাদক আসিফ উদ দৌলা সরদার অলোক বলেন শার্শার মানুষ যখন শোকের মাস হিসাবে দোয়া মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করছে তখন শার্শার এমপি শেখ আফিল উদ্দিন মৎস চাষে অবদানের জন্য পদক পাওয়ায় রং মেখে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান করে জাতির পিতাকে অসম্মান করছে।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা আওয়ামলীগের শিক্ষা বিষায়ক সম্পাদক আসিফ উদ দৌলা সরদার অলোক, শার্শা উপজেলা যুগ্ম সাধারন সম্পাদক একে এম ফজলুল হক বকুল,সাংগঠনিক আবুল মালেক প্রচার সম্পাদক ইলিয়াছ আযম, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শেখ কোরবান আলী, বেনাপোল পৌর আওয়ামলীলীগের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আহসান উল্লাহ মাষ্টার, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক সাইদুজ্জামান বিটন, যুগ্ম আহবায়ক সেলিম রেজা বিপুল, জাকির হোসেন সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি রুহুল কুদ্দুস, সহসভাপতি বৈদ্যনাথ দাস,বেনাপোল পৌর প্যানেল মেয়র সাহাবুদ্দিন মন্টু, কমিশনার রাশেদ আলী,পৌর যুবলীগের আহবায়ক সুকুমার দেবনাথ,পৌর আওয়ামীলীগের সিনিয়র সদস্য,মোজাফফার হোসেন, শার্শা উপজেলা আওয়ামলী সাংস্কৃতিক ফোরামের আহবায়ক এমদাদুল হক বকুল, শার্শা উপজেলা আওয়ামী সাংস্কুতিক ফোরামের নেতা আমিনুর রহমান শার্শা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আকুল হোসাইন, লক্ষনপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আনোয়ারা খাতুন ও আওয়ামলীলীগ নেতা আছাদুজ্জামান, নুরুজ্জামান, আছাদুজ্জামান আশা সহ আওয়ামী, যুবলীগ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।


