শিল্পকলা একাডেমিতে এ বছর তৃতীয় বারের মত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্বের দক্ষিন এশিয় আর্টের সবচেয়ে বড় প্লাটফর্ম ঢাকা আর্ট সামিট ২০১৬।
চারদিন ব্যাপি এই আয়োজন চলবে ৫ ফেব্রুয়ারী থেকে শুরু করে ৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ পর্যন্ত। আজ বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৬) শিল্পকলা মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সামিটের ঘোষণা দেওয়া হয়।
এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সমেলনে উপস্থিত ছিলেন সামদানি আর্ট ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট ও কো-ফাউন্ডার নাদিয়া সামদানি, সামদানি আর্ট ফাউন্ডেশনের কো-ফাউন্ডার রাজিব সামদানি, গোল্ডেন হারভেস্ট এর চিফ অপারেটিং অফিসার জাকির ইবনে হাই, এবং আর্ট শিল্পী মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান।
ঢাকা আর্ট সামিট বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের এযাবৎ কালের সবচেয়ে আলোচিত শিল্পকলার আয়োজন হিসেবে গন্য করা হয়। বিশ্বের প্রায় ৬০০ আর্টিস্ট, কিউরেটর, লেখক, আর্ট প্রফেশনাল এবং কালেক্টর এ সামিটে অংশগ্রহন করেন।
এই বছর ঢাকা আর্ট সামিট বিশ্বের নামকরা প্রায় ৮০ টি-রও বেশি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা পাচ্ছে। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি, সেন্টার পম্পিদৌ ফ্রান্স, রকফেলার ফাউন্ডেশন, নরওয়েজিয়ান মিনিস্ট্রি অফ ফরেন অ্যাফেয়ার্স, সুইস আর্টস কাউন্সিল ইত্যাদি এর মধ্যে অন্যতম।
এর পাশাপাশি বিভিন্ন খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক জাদুঘর যেমন টেইট মডার্ন, মেট্রপোলিটান মিউজিয়াম অফ আর্ট নিউ ইয়র্ক, সলোমন আর গুগ্যেনহাইম, রুবিন মিউজিয়াম এবং কুন্সস্থালে জুরিখ তাদের কিউরেটরদের ঢাকা আর্ট সামিট ২০১৬ এর একটি আর্ট প্রোগ্রাম ডিজাইনে সহযোগিতার জন্য পাঠিয়েছেন ।
ঢাকা আর্ট সামিট নিয়ে সংবাদ প্রতিবেদন করতে আসা ৫০ জনেরও বেশি আন্তর্জাতিক সাংবাদিক এসময় ঢাকায় উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও সারা বিশ্বের দর্শকদের জন্য ব্লুমবার্গ টিভি এই আয়োজন নিয়ে ৩০ মিনিটের একটি ডকুমেন্টারি তৈরি করছে।
৪ দিন ব্যাপি ঢাকা আর্ট সামিটে এবার প্রায় ১,৩০,০০০ দর্শক আশা করা হচ্ছে।
এই বছরের ঢাকা আর্ট সামিটের আয়োজন নিয়ে সামদানি আর্ট ফাউন্ডেশনের কো-ফাউন্ডার এবং আর্ট কালেক্টর রাজিব সামদানি বলেন, “সারা বিশ^ দক্ষিন এশিয়ান আর্ট নিয়ে আগ্রহী।
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে মিউজিয়ামগুলোও দক্ষিন এশিয়ান আর্টের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে কিন্তু দক্ষিন এশিয় শিল্পের অবকাঠামোগত দুর্বলতার কারনে অনেক প্রতিভা অনাবিষ্কৃত রয়ে যায়। দক্ষিন এশিয় আর্টের কোন সুনির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্ম নেই যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গার মানুষ এসে একসাথে উপভোগ করতে পারে। আমরা ঢাকা আর্ট সামিট এজন্যই শুরু করেছি যাতে দক্ষিন এশিয় আর্টকে বিশ্বের মঞ্চে পরিচিত করিয়ে একে একটি যথাযোগ্য স্থানে প্রতিষ্ঠিত করতে পারি।’




