× Banner
সর্বশেষ
প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে যোগদানের আমন্ত্রণ পর্যালোচনা করছে সরকার – পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুন্দরবনের বাঘ ও আবাসস্থল রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর – পরিবেশমন্ত্রী দেওয়ানি মামলার জট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার – আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভূমিকম্প বিষয়ক প্রস্তুতি সভা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভুবন ভোলানো হাসিতে মন জয় করা তাহসিনের সাক্ষাৎ ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি শ্রমিকদের আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পের টাকা জনগণের, এক টাকার অপচয়ও সহ্য করা হবে না: তথ্যমন্ত্রী হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগানো দালাল চক্র ও সিজার বাণিজ্য স্থায়ীভাবে বন্ধ হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা গড়া সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: মীর শাহে আলম বাঘ রক্ষা মানেই সুন্দরবনের প্রতিবেশ সুরক্ষা: পরিবেশ মন্ত্রী

শিশু ধর্ষণের ভিডিও প্রচার মসজিদের ইমামসহ দুই জনের ৫ বছরের কারাদণ্ড

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন, ২০১৯

বিশেষ প্রতিবেদক অসিত কুমার ঘোষ (বাবু)ঃ দশ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করে ভিডিও ব্লুটুথের মাধ্যমে প্রচার করার মামলায় ধামরাই থানাধীন মসজিদের এক ইমামসহ দুই জনের ৫ বছর করে কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু ফোরকান মোহাম্মদ মারুফ চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ধামরাই থানাধীন একটি মসজিদের ইমাম সেলিম হোসেন ও তার সহযোগী জামাল।

রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো: আনোয়ারুল কবীর বাবুল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও জানান, ২০১২ সালের পর্ণোগ্রাফী নিয়ন্ত্রণ আইনের ৮(২)(৭) ধারায় আদালত এ দণ্ড ঘোষণার পাশাপাশি আসামীদের ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন।

দণ্ডিত সেলিম হোসেন ধামরাই থানার বাসনা গ্রামের মিরাজ হোসেনের ছেলে ও জামাল একই থানার দিঘল গ্রামের বছর উদ্দিন ওরফে বুদ্ধুর ছেলে। দণ্ডিতদের মধ্যে সেলিম জামিনে পলাতক রয়েছেন।

রায় ঘোষণাকালে জামাল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া ভিকটিম স্কুল ছাত্রী মসজিদের মক্তবে পড়তে গেলে ধামরাই এলাকার ওই মসজিদের ইমাম সেলিম ওই শিশুকে ফুসলিয়ে তার রুমে নিয়ে যায়। পরে সেলিম শিশুটিকে ধর্ষণ করে আর তার সহযোগী জামাল ধর্ষণের চিত্র মোবাইলে ধারণ করে। পরে ওই দুই জন ২০১৪ সালের ২৬ মে ধর্ষণ চিত্রের ভিডিও ব্লু-টুথের মাধ্যমে এলাকায় মোবাইলে মোবাইলে ছড়িয়ে দেয়। ওই ঘটনায় ভিকটিমের বাবা ধামরাই থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ২০১৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ধামরাই থানার এসআই মাসুদুর রহমান আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলাটির বিচারকালে আদালত ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, দণ্ডিতদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ধর্ষণের সহযোগীতার অভিযোগের পৃথক একটি মামলা নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনালে এখনো বিচারাধীন রয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..