শিক্ষাবৃত্তি শুরু হয়েছিল মাত্র ৩ টাকায়

বিশেষ প্রতিবেদকঃ  শিক্ষাবৃত্তি শুরু হয়েছিল মাত্র ৩ টাকায়। জানালেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

রোববার মিরপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে ডাচ-বাংলা ব্যাংক ২০১৭ শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে নিজের শিক্ষা জীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের সময় নির্দিষ্ট বৃত্তি ছিল। তবে টাকা তেমন ছিল না। যে টাকা দিতো তা দিয়ে পুরো লেখাপড়ার খরচ হতো না। আমার ১৬ থেকে ১৭ বছর শিক্ষা জীবনের শেষ ৮ বছর বৃত্তি পেয়েছি। বৃত্তির শুরু হয়েছিল ৩ টাকা দিয়ে। এরপর ৪ টাকা, ৫ টাকা, ২০ টাকা ও সর্বশেষ ৪০ টাকা বৃত্তি পেয়েছি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বৃত্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে দুটি বিষয় ছিল। একটি মেধার স্বীকৃতি, এটা অত্যন্ত বড় জিনিস; দ্বিতীয় বিষয়টি হলো আর্থিক সহায়তা। ডাচ-বাংলা ব্যাংক আর্থিক বিষয়টি বেশি মূল্য দেয়। মাসিক আড়াই হাজার টাকা দেয়। এ অর্থ দিয়ে যে কোনো একজন শিক্ষার্থী খরচ চালাতে পারে।

এ সময় আবুল মাল আবদুল মুহিত দেশের আর্থিক খাতের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও শিক্ষায় অবদান রাখতে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মতো এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ডাচ-বাংলা ব্যাংক ২০১৭ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে দেশের বিভিন্ন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত তিন হাজার ১৯ জন দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করেছে। বৃত্তিপ্রাপ্তরা উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পূর্ণ শিক্ষাবর্ষে মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন। এছাড়া পাঠ্য উপকরণের জন্য পাঁচ হাজার টাকা এবং পোশাকের জন্য এক হাজার টাকা করে বার্ষিক অনুদান পাবেন।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, ডাচ-বাংলা ব্যাংক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম শাহাবুদ্দিন আহমেদ, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কাশেম মো. শিরিন প্রমুখ।

ডাচ-বাংলা ব্যাংকের চেয়ারম্যান সায়েম আহমেদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।