শার্শায় ক্বোরবানী দাতারা জবাইকৃত পশুর চামড়া নিয়ে নাজেহাল

এম,এ,জলিলঃবিশেষ প্রতিনিধিঃ যশোরের শার্শায় এবছর দামকম থাকায় ক্বোরবানী করা পশুর চামড়া নিয়ে বিপাকে পড়েছেন ক্বোরবানী দাতারা।অনেকে বিক্রী না করে মাটিতে পুতে দিয়েছেন পশুর চামড়া।
উপজেলা পশুসম্পদ বিভাগের দেয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী শার্শা উপজেলাতে এবছর ৩৩ শ’ গরু ও ২৬ শ’ ছাগল ক্বোরবানী করা হয়েছে। কিন্তু ক্বোরবানী দাতারা এবার জবাইকরা গরু ছাগলের চামড়া বিক্রী করতে যেয়ে নাজেহাল হয়েছেন।
ক্বোরবানীর চামড়া বিক্রী টাকা সাধারনত দান খয়রাত করাহয়।গরীবেরা আগে থেকেই দাবীকরেন চামড়া বিক্রীর টাকা।তবে এবছর চামড়ার দাম খুবই কম।গ্রামে গ্রামে ক্রেতা ঘুরলেও চামড়ার দাম না থাকায় অনেকে চামড়া বিক্রী না করে মাটি চাপা দিয়েছে। অনেকে দুরে কোথাও ফেলে এসেছে।
ক্বোরবানীর পরদিন পর্যন্ত গাছে গাছে ঝুলতে দেখাগেছে চামড়া।রুদ্রপুর গ্রামের রফিকুল জানায় তাদের একটি গরুর চামড়ার দাম ৪০ টাকা বলার কারনে বিক্রী করেনি গাছে ঝুলিয়ে রেখেছে। একই কথা বলেছেন ইস্রাফিল। মিন্টু চামড়া বিক্রী করতে না পেরে মাটিতে পুতে দিয়েছেন। আমিরুল হোসেন নামে একজন চামড়া ক্রেতা জানিয়েছেন সে ঈদেরদিন সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা ও সর্বনিম্ন৪০ টাকায় গরুর চামড়া কিনেছিলেন,ছাগলের চামড়া কিনেছেন ২০ টাকা করে। সে এসব চামড়া বাগআঁচড়ায় চামড়ার আড়তে বেঁচতে গেলে তারা নেয়নি।
এরপর সে গয়ড়াবাজারে এক আড়তে লোকসানে কিছু চামড়া বিক্রীকরে এবং বাকী চামড়াগুলি মাঠের ভেতর ফেলে রেখে আসে।
সীমান্তে বিজিবির ব্যাপক নজরদারীর কারনে ভারতে চামড়া নিতে পারেনি কালোবাজারীরা। যারফলে চামড়া নিয়ে নাজেহাল হতে হয়েছে এলাকার মানুষদের।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।