× Banner
সর্বশেষ
দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে ঢাকা ও কাঠমান্ডু আলোচনা অনুষ্ঠিত সরকারের ১৮০ দিনের অর্জন জনগণের সামনে বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরতে হবে – স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অকুতোভয় জুলাই যোদ্ধা আজিজুর রহমানের সাক্ষাৎ জুলাইয়ের আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না – তথ্যমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৭৬৭ উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বদলি, স্বচ্ছতায় নতুন উদ্যোগ সীমাবদ্ধতা নয়, স্বপ্নপূরণের শক্তি আত্মবিশ্বাস ও অধ্যবসায়: ববি হাজ্জাজ জুলাই শহিদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় রাষ্ট্রে প্রকৃত পরিবর্তন আনতে হবে: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কোটালীপাড়ায় বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস পালিত  বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের পাশে সরকার, শিশু স্বাস্থ্যসেবায় যুক্ত হলো আরও ৭০ শয্যা খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমাতে লজিস্টিক ব্যয় হ্রাসের বিকল্প নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

ডেস্ক

শর্ত পূরণ করতে না পারলেও ঋণের দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮ কোটি ১০ লাখ ডলার পাচ্ছে বাংলাদেশ

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩
মাথাপিছু জিডিপি
বাংলাদেশের প্রত্যাশিত ঋণের প্রস্তাব অনুমোদন করে আইএমএফ। বাংলাদেশকে এই ঋণ ৪২ মাসে দেবে সংস্থাটি।

চলতি বছরের প্রথমার্ধে আইএমএফ ছয়টি পরিমাণগত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিয়েছিল। বাংলাদেশ দুটি শর্ত পূরণ করতে পারেনি। দুটি শর্ত পূরণ করতে না পারলেও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮ কোটি ১০ লাখ ডলার পাচ্ছে বাংলাদেশ। আইএমএফের ঋণের দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ পাচ্ছে বাংলাদেশ।

বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ওয়াশিংটনে আইএমএফের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংস্থাটির নির্বাহী পর্ষদের বৈঠকে এ ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

এর আগে, গত ৩০ জানুয়ারি আইএমএফ বোর্ড চার দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন দেয়। আর গত ২ ফেব্রুয়ারি প্রথম কিস্তিতে বাংলাদেশ পেয়েছে ৪৪ কোটি ৭৮ লাখ ডলার। পাঁচ দফায় পাওয়া যাবে বাকি অর্থ।

গত অক্টোবরে আইএমএফের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে এসে ঋণ কর্মসূচি পর্যালোচনা করে। সে সময় আইএমএফ বোর্ডের কাছে ঋণের দ্বিতীয় কিস্তির প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।

চলতি বছরের প্রথমার্ধে আইএমএফ ছয়টি পরিমাণগত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিয়েছিল। বাংলাদেশ দুটি শর্ত পূরণ করতে পারেনি। তবে কেন পারেনি তার ব্যাখ্যা আইএমএফকে দেয়া হয়েছে।

পূরণ করতে না পারা শর্তগুলোর একটি ছিল জুনের শেষে ন্যূনতম ২৪ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ বজায় রাখা। জ্বালানি, সার ও খাদ্যদ্রব্য আমদানিতে রিজার্ভ থেকে খরচ করতে হয়েছিল বলে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় তিন বিলিয়ন ডলার কমেছে।

আর ন্যূনতম রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রাও পূরণ হয়নি। ২০২২-২৩ অর্থবছরে সরকারের কমপক্ষে তিন লাখ ৪৫ হাজার ৬৩০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের প্রয়োজন ছিল।

অর্থ বিভাগের প্রতিবেদন অনুসারে, শেষ পর্যন্ত তিন লাখ ২৭ হাজার ৬৬৪ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। এটি লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১৭ হাজার ৯৪৬ কোটি টাকা কম।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..