রানীশংকৈল প্রতিনিধিঃ-সম্প্রতি কালের বন্যার পানিতে ধান ডুবে গিয়েছিলো অনেক ক্ষতিগস্ত হয়েছি। এখন সে ক্ষতি কিছুটা হলেও পূরন হতে চলছে। কারন আমার আগাম জাতের ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে এমনই অনুভুতি প্রকাশ করে এ কথা গুলো বলছিলেন ঠাকুরগায়ের রানীশংকৈল উপজেলার গোগর গ্রামের কৃষক নবাব আলী। তিনি এবার কৃষি অফিসের পরামর্শে আগাম জাতের ব্রি-ধান ২বিঘা জমি জুড়ে আবাদ করেন।
সম্প্রতি সরজমিনে ঘুরে দেখা যায়, একইভাবে নেকমরদ এলাকার আমিনুল ৪বিঘা জমি জুড়ে উফশী আমন পেকে যাওয়া ধান কাটছেন সে কৃষককে কেন এত তারাতারি ধান পেকে গেল প্রশ্নে বলেন কেনে বাহে তোমা জানেন না কৃষি অফিসের লোকলা হামাক পরামর্শ দ্যাহেনে ও সহযোহিতা করে কহিল্ল ব্রি ধান লাগান তাহলে সবার আগে আপনার ধান পেকে যাবে এবং সবার আগে আপনি কাটতে পারবেন ।
কৃষক আমিনুল আরো বলেন, এতাহেনেই মুই এই ধান লাগায়ছিুন এখন পাকে গিছে সেতাহেনে কাঠে লিছু ধান পাকলেতে আর জমিত ফেলে রাখা যাবে নি। তবে এ কৃষক অনেক খুশী আগামভাবে ধান ফসল ঘরে তুলতে পেরে। একইভাবে কমরগঞ্জ গ্রামের মজিদ ৩বিঘা ধান লাগিয়েছিলেন তিনিও আগাম ধান কাটতে পেরে খুশী কারণ এখন অন্যানা ফসলগুলি আগাম চাষ করা যাবে এবং আগাম বাজারে তুলে ভাল দাম পাওয়া যাবে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সুত্রে জানা যায়,এ উপজেলায় উফশী আমন ষোলশ হেক্টর এবং হাইব্রিড চার হাজার হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় ১০ হেক্টর জমির ধান কেটে ফেলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ বলেন,আমাদের উপজেলায় এবার আগামজাতের ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে আশা করছি আমাদের চাহিদা অনুযায়ী আশানুরুপ ধানের ফলন পাওয়া যাবে।




