কালীগঞ্জে রাতে খোলা থাকছে হোটেল রেষ্টুরেন্ট, মানছেননা সরকারি নির্দেশনা

কালীগঞ্জে রাতে খোলা থাকছে হোটেল রেষ্টুরেন্ট, মানছেননা সরকারি নির্দেশনা

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ মহামারি করোনা ভাইরাস ঠেকাতে সরকারী নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মানছেনা কালীগঞ্জের হোটের রেষ্টুরেন্ট ব্যাবসায়ীরা। তারা সারারাত হোটেল খুলে রেখে করছেন বেচাকেনা। এতে করোনা সংক্রমনের ঝুঁকি বেড়েই চলেছে।

জনগনকে নিরাপদ রাখতে দেশের মানুষের কল্যাণে সরকারের নেওয়া উদ্দ্যোগটি এভাবেই ভেস্তে যেতে বসেছে। সচেতন মহলের অভিমত সাধারণ জনগন সচেতন হয়ে সরকারী নির্দেশনা মানলে মরণঘাতী করোনা কে জয় করা সম্ভব।

সরেজমিনে রাত সাড়ে ১০ টার দিকে কালীগঞ্জ শহরের মেইন বাসষ্টান্ডে গিয়ে দেখা গেছে, ধানসিঁড়ি হোটেল, ধানসিঁড়ি হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে, মদিনা হোটেল, রায় সুইটস হোটেল খোলা রয়েছে। তারা রিতিমত বেচাকেনা চালিয়ে যাচ্ছে। কোনো কোনো হোটেল মালিকরা এক শাটার বন্ধ করে ও হোটেলের সামনে বসে থাকছে। তারা স্থানীয় ও ঢাকা ফেরত যাত্রীদের হোটেলের ভেতর নিয়ে শাটার বন্ধ করে চালাচ্ছেন খাওয়া দাওয়া ও বেচা কেনা।

এসব হোটেলে কর্মরত শ্রমিকদের থাকছেনা কোনো সেফটি প্রোটেকশন। ঢাকা থেকে বা দেশের দূরদুরান্ত জেলা থেকে আগত অনেকেই রাতে এই হোটেলে খাবার খেয়ে থাকেন। যেখানে দূরের জেলা থেকে কেউ আসলে তাকে ১৪ দিন হোম কোয়ারান্টাইনে থাকার কথা। সেখানে ওই হোটেল ব্যাবসায়ীদের কারনে করোনা সংক্রমনের ঝুকি বেড়েই চলেছে।

এছাড়াও শহরের বিভিন্ন সড়কে পাড়া মহল্লার সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে দোকানপাট খোলার রাখার সরকারি আদেশ থাকলে ও তা মানছে না অনেকে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে তারা তাদের মতো করেই চলছে। সন্ধ্যার পর চায়ের দোকানে, পানের দোকানে পাড়ার অলিগলি ও সড়কে চলছে আড্ডা। মানছে না সামাজিক কিংবা শারীরিক দূরত্ব। এতে করে করোনা সংক্রমণ আতংকে দিন কাটাচ্ছেন এলাকার সচেতন জনসাধারণ।

সরকারের আদেশ পালনে জনগনকে সুস্থ ও নিরাপদে রাখতে স্থানীয় প্রশাসন, বাংলাদেশ পুলিশ, সেনাবাহিনীর সদস্যরা জীবনের ঝুঁকি কর্তব্য পালন করে যাচ্ছেন। সাধারণ জনগনকে নিরাপদ রাখতে গিয়ে প্রাণ দিতে হচ্ছে তাদেরকে। এসব দেখেও সচেতন তো দূরের কথা অনেকের কাছে তা গল্প কাহিনী আর কফি হাউসের আড্ডায় পরিণত হয়েছে। তাই কোনো সামাজিক বা শারিরীক দূরত্ব বজায় না রেখেই করছেন বেঁচাকেনা ও রাতে থাকছে কিছু কিছু হোটেল খোলা।

রাতে হোটেল রেষ্টুরেন্ট খুলে বেচাকেনা চলছে এমন বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) মাহফুজুর রহমান জানান, হাইওয়ে রোডের পাশে রাতে খাবারের হোটেল খোলা বা বন্ধ রাখার কোনো সরকারি নির্দেশনা পায়নি। নির্দেশনা পেলে ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুবর্ণা রানি সাহা জানান, রাতে শহরে খাবারের হোটেল খোলা রাখার কোনো সরকারি নির্দেশনা নাই। রাতে হোটেল খোলা থাকছে কিনা তা তার জানা নেই। তদন্ত করে অবশ্যই ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান তিনি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
লেখক / প্রতিবেদক

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।