× Banner
সর্বশেষ
জগন্নাথদেবের পুনর্যাত্রা আজ: উল্টো রথযাত্রার ধর্মীয় তাৎপর্য, ইতিহাস ও আধ্যাত্মিক বার্তা সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত আজ ২৪ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় সকাল ৯টার মধ্যে ১০ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত ২৪ জুলাই শুক্রবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আজ পদত্যাগ করতে পারেন, দাবি রয়টার্সের ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬

ডেস্ক

কোরবানির পরেও দাম কমছে না রসুনের

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১১ জুলাই, ২০২৩
gerlic

রসুনের চাহিদা বেশি থাকে কোরবানিতে। সে কারণে এ উৎসবের আগে দামও বাড়ে, পরে কমে যায়।  কিন্তু এবার কোরবানির পরেও ক্রমে পাইকারি বাজারে বাড়ছে রসুনের দাম।

দেশের সবচেয়ে বড় ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জের আমদানিকারকরা বলছেন, চীনে রসুন আমদানির বুকিং রেট বেড়েছে। যখন সেখানে দাম কম ছিল তখন পর্যাপ্ত এলসি করা যায়নি।

খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজ, রসুন ও আদার বড় বিপণিকেন্দ্র হামিদউল্লাহ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিস বলেন, মঙ্গলবার চীনা রসুন প্রতিকেজি ১৮৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। কোরবানির আগে সর্বোচ্চ প্রতিকেজি ১৫৫ টাকা বিক্রি হয়েছিল। আমদানিকারকেরা জানিয়েছেন, চীনে বুকিং রেট বেড়েছে।

তিনি জানান, দেশি রসুন প্রতিমণ ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং ভারতের রসুন প্রতিকেজি ১২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। তবে মেজবান, বিয়ে, হোটেল, রেস্টুরেন্টে বড় কোষের (দানা) রসুনের চাহিদা বেশি।

চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দিন জানান, জানুয়ারি থেকে সোমবার (১০ জুলাই) পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ২৮ হাজার ৪৯৫ টন রসুন আমদানি হয়েছে। আমদানির অনুমতিপত্র নেওয়া আরও রসুন পাইপলাইনে রয়েছে। গত বছর এ সময়ে আমদানি হয়েছিল ২৫ হাজার ৯০৫ টন।

খাতুনগঞ্জের আজাদ সিন্ডিকেটের মালিক মো. রেজাউল করিম আজাদ জানান, কিছুদিন আগেও আন্তর্জাতিক বাজারে (চীন) প্রতিটন রসুনের বুকিং রেট ছিল ৯০০ ডলার। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৮০ ডলার থেকে ১ হাজার ৪০০ ডলার। ১৭৬-১৭৮ টাকা পড়ছে কেজিতে। এর সঙ্গে আরও ৫ টাকা খরচ আছে।

তিনি জানান, বাংলাদেশে চাহিদার বড় অংশ পূরণ হয় চীন থেকে আমদানি করা রসুন দিয়ে।

আরেকজন আমদানিকারক জানান, চীনে যখন রসুন সস্তা ছিল তখন আমরা পর্যাপ্ত এলসি দিতে পারিনি। এখন তাদের কোলস্টোরেজের রসুন শেষ পর্যায়ে। নতুন মৌসুমে হারভেস্ট করা ভালো মানের রসুন প্রতি টন ১ হাজার ৪০০ ডলার পর্যন্ত উঠেছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..