× Banner
সর্বশেষ
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ও পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে – ককরোচ পার্টি কালীগঞ্জে জেলা প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ উদ্বোধন নড়াইলে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর যশোরে বিজিবির অভিযানে ৪৬ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা মূল্যের ২ পিচ স্বর্ণবারসহ আটক-১ ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় এমপি গাজী নজরুল ইসলামের শ্যামনগরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা রোগ শনাক্তে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে স্বাস্থ্যকর্মীরা -স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী শৈলকুপায় ট্রাক চাপায় পথচারী নিহত হরিণাকুন্ডুর সোনাতনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ঘাটতির পর বেনাপোল কাস্টমসের নতুন লক্ষ্য ১০,৫৮৮ কোটি

যাযাবর জীবন যাপন বেদে পরিবারগুলোর

Kishori
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৭ মে, ২০১৯

রতি কান্ত রায়(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি: বাংলাদেশ ও ভারতের  একটি যাযাবর জনগোষ্ঠী এই বেদে। এরা সাধারনত অাগে নৌকায় বসবাস করতো কিন্তু এখন আধুনিক যানবাহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির কারনে এবং নদ-নদী পথে যাতায়াত আগের মতো সহজ না হওয়ায় এখন আর নৌকায় যাতায়াত করে না। স্থল পথেই তারা যাতায়াত করে এবং বিভিন্ন এলাকায় তাবু গেড়ে কর্মকান্ড চালায়। এখন ভ্রাম্যমাণ স্থল পথে তাঁবুতে বসবাস করে । তাঁবুতে রান্না করে, তাঁবুতেই সবকিছু করে থাকেন।যেকোন জায়গায় অস্থায়ীভাবে বসবাস করে। তেমনি কয়েকটি  বেদে পরিবারের সাথে আমাদের কথা হয়। তারা এখন পুলেরপাড় বাজার সংলগ্ন নীলকমল নদের তীরে অস্থায়ী বসতি গড়েছে ১-২ সপ্তাহেরর জন্য ৯-১০ পরিবার। এই বেদেদের বাড়ী যশোর জেলায়।
বেদে প্রধান বাপ্পারাজ বলেন, আমরা গ্রামে-গ্রামে ঘুড়ে সাপ ধরা, সাপের খেলা, বান্দর খেলা দেখানো, যাদুবিদ্যা প্রদর্শন করাসহ বিভিন্ন রকম কর্মকান্ডের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে থাকি। বেদে সমাজ যাযাবর হওয়ার কারণে তাদের ছেলে-মেয়েরা হয় শিক্ষাবঞ্চিত। যার ফলে জীবিকা হিসাবে বেচে নেয় পৃর্বপুরুষের পেশাকে। বেদে মেয়েরা ও ছেলেরা বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরেঘুরে নিজেদের বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করে চিকিৎসা করে। তাদের চিকিৎসা গুলোর মধ্য অন্যতম হলো শরীরের বিষ -ব্যাথা সিংগা দিয়ে নামানো। বিভিন্ন রোগের তাবিজ -কবজ প্রদান করা ইত্যাদি। তবে বেদেরা সবচেয়ে বেশি যেটা করে সেটা হল সাপের বিভিন্ন রকমের খেলা দেখিয়ে টাকা উপর্জন করা।এছাড়াও মানুষকে সাপে কাটলে বেদেরা শরীর থেকে সাপের বিষ নামিযে দেয়।
বাবুরাম সাপুড়ে, কোথা যাস বাপুরে, অায় বাবা দেখে যা , দুটি সাপ রেখে যা কবির এ চেনা চরণগুলো আহবহমান গ্রামবাংলার সাপখেলার এক ঐতিহ্য বহন করে আসছে অন্তকাল ধরে। ঐতিহ্যবাহী এ সাপখেলা ও বান্দর খেলা আজও গ্রামবাংলার মানুষকে আন্দদান ও আলোড়িত করে। বেদে পরিবারগুলো জানায় বছরের ৬ মাস জীবিকার জন্য তারা বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেবেড়ানায় আর ছয় মাস গ্রামের বাড়ীতে স্থায়ীভাবে থাকে। সপন মিঞা জানান, আগের মত খেলা দেখিয়ে তেমন আর আযরোজগার হয় না। মিলন মিঞা ও রনি মিঞা বলেন, দিনে খেলা দেখিয়ে ২৫০-৩০০ টাকা সবচ্চো আয় হয় তাদিয়ে কোনরকমে চলে সংসার। নারগিস বেগম ও সামিনা বেগম   জানান আমরাও সাপের খেলা আর তাবিজ -কবজ, গাছের শিকড় আর ঝাড়ফুঁক করি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..