পাকিস্তানকে ৩-০ ম্যাচে হোয়াইটওয়াশ করে কোথায় অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটাররা একটু আনন্দ করবেন, তার কী আর উপায় আছে! অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ যে তাঁদের মনে ঢুকিয়ে দিয়েছেন ভয়। সামনে ভারত সফর। স্মিথের ভাষায় যেটা কঠিন এক চ্যালেঞ্জ।
ভারতে টেস্ট সিরিজে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ড কেমন নাকাল হয়েছে তা হয়তো টেলিভিশনের কল্যাণেই দেখেছেন। ২০১৩ সালে ভারতে সর্বশেষ সফরটিও অস্ট্রেলিয়ার জন্য ছিল দুঃস্বপ্নময়। হোয়াইটওয়াশ হওয়া সেই সিরিজের কথা মনে করেই স্মিথের কণ্ঠে যত শঙ্কা।
ভারত সফর নিয়ে যে তথ্যটা অস্ট্রেলিয়াকে সবচেয়ে বেশি ভাবাচ্ছে যেটি হলো ২০০৪ সালের পর এখানে কোনো টেস্ট জেতেনি তারা। ভারতের কন্ডিশনটাই বেশি ভাবাচ্ছে স্মিথকে, ‘পুরোপুরি অন্য রকম একটা জায়গা। অস্ট্রেলিয়ার উইকেটে খেলা আর ভারতে খেলাটা একেবারেই ভিন্ন ব্যাপার।’
চলতি গ্রীষ্মের শুরুটা ভালো ছিল না অস্ট্রেলিয়ার। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজে ২-০-তে হেরে গিয়েছিল তারা। তোলপাড় শুরু হয়েছিল দেশটির ক্রিকেট প্রশাসনে। দলে আনা হয় বড় ধরনের পরিবর্তন। ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো পারফর্ম করে দলে ঢোকেন ম্যাট রেনশ ও পিটার হ্যান্ডসকম্বের মতো তরুণ প্রতিভারা।
যে অস্ট্রেলিয়া টানা পাঁচটি টেস্ট (শ্রীলঙ্কার মাটিতে তিনটিসহ) হেরেছিল, তাদের পারফরম্যান্সই যেন পাল্টে গেল দলের ওলট-পালটে। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে দলের নতুনেরা পারফর্ম করেছেন দারুণভাবেই। ভারতের বিপক্ষে সিরিজে দলের তরুণ ক্রিকেটারদের কন্ডিশনের প্রতিকূলতা মাথায় রেখেই খেলতে হবে, ‘নতুনদের ভারতের কন্ডিশনে খেলার অভিজ্ঞতা নেই। কন্ডিশনটা আসলেই খুব কঠিন।’
ভারতের মাটিতে ভালো করতে হলে কষ্ট করেই করতে হবে বলেই মনে করেন স্মিথ, ‘আমরা কয়েকজন ক্রিকেটার আছি, যাদের ভারতে খেলার অভিজ্ঞতা আছে। ভারতের বিপক্ষে তাদের মাঠে খেলাটা যে অসম্ভব কঠিন, সেটি আমরা খুব ভালো করেই জানি। সেখানে যদি আমরা ন্যূনতম প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি করতে চাই, তাহলেই আমাদের খুব ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে।’ সূত্র: এএফপি, রয়টার্স।





