× Banner
সর্বশেষ
খাল খননের উদ্বৃত্ত ৬১ লাখ টাকা কোষাগারে জমা দিলেন ইউএনও ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন সিটি’ বাস্তবায়নে দুই সিটির কার্যক্রমে গতি বাড়ানোর নির্দেশ ফেসবুকে প্রেম, নেত্রকোনায় এসে তরুণীকে বিয়ে করলেন চীনা যুবক ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা দুই মামলায় জামিন পেলেন ব্যারিস্টার সুমন বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে – নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ‘দেশকে এগিয়ে নিতে দৈনিক ১৮ ঘণ্টা কাজ করেন প্রধানমন্ত্রী’ এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে – নাহিদ ইসলাম খাদ্য নিরাপত্তা, নবায়নযোগ্য শক্তি ও কৃষকের স্বার্থ বিবেচনায় এগিয়ে নিতে হবে এগ্রিভোল্টাইক কার্যক্রম – পরিবেশমন্ত্রী ইউআইইউতে প্রাইম ব্যাংকের “এমপাওয়ারিং ইয়ুথ সিজন ২.০” অনুষ্ঠিত

বেনাপোল যশোর প্রতিনিধি

বেনাপোলে পারিবারিক কলহের জেরে কিশোরীর আত্মহত্যা

ACP
হালনাগাদ: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬
বেনাপোলে পারিবারিক কলহের জেরে কিশোরীর আত্মহত্যা

যশোরের বেনাপোলে পারিবারিক কলহের জেরে আসমা খাতুন (১৩) নামে এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে বেনাপোল পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আসমা খাতুন সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার বাবু গাজীর মেয়ে। পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে বেনাপোল গ্রামের দুখু মিয়ার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিল।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আসমার বাবা-মা বিভিন্ন ঋণের চাপে ছিলেন। এর মধ্যে তার ভাই সাকিব বেকার অবস্থায় বিয়ে করলে পরিবারে আর্থিক সংকট ও পারিবারিক অশান্তি আরও বেড়ে যায়। শুক্রবার সকালে পারিবারিক বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করলে বাবা বাবু গাজী ছেলে সাকিব ও তার স্ত্রীকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে মানসিক চাপ ও মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়।
পরিবারের দাবি, বিকেলে সবার অগোচরে আসমা ঘরের আড়কাঠে ঝুলন্ত ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার নিশাত জানান, হাসপাতালে আনার আগেই কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার উপ-পরিদর্শক ও এ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতকারী এসআই তাপস বলেন,খবর পেয়ে শার্শা থানা পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..