জুড়ীতে দিনবন্ধুর মুরগী খামারে হামলা চেয়ারম্যান এম.এ মুঈদ ফারুকের

জুড়ীতে দিনবন্ধুর মুরগী খামারে হামলা চেয়ারম্যান এম.এ মুঈদ ফারুকের
মৌলভীবাজার প্রতিনিধীঃ মৌলভীবাজার জেলার জুড়ীর দিনবন্ধুর মুরগী খামারে হামলা। পশ্চিম আমতৈলে জুড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ মুঈদ ফারুক এক  তার বাহিনী নিয়ে আনুমানিক রাত ১০ঘটিকায় হামলা চালিয়েছে বলে জানা জায়।
মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার পশ্চিমজুড়ী ইউনিয়নের আমতৈল গ্রামে গতকাল ১লা মে ২০২০খ্রিঃ রোজ শুক্রবার রাত আনুমানিক ১০ঘটিকার  দিকে চেয়ারম্যান এম এ মোঈদ ফারুকের নেতৃত্বে ঐ লেয়ার পোল্ট্রি খামারটিতে হামলা ও ভাংচুর করেন ১৫/২০ জনের একদল গুন্ডা বাহিনী নিয়ে।
দয়াময় সেনের পুত্র দীনবন্ধু সেন কৃষি ব্যাংক জুড়ী শাখা থেকে লোন নিয়ে এবং আরো কয়েক লক্ষ টাকা ধার দেনা করে আড়াই হাজার মুরগী নিয়ে একটি লেয়ার পোল্ট্রি খামার চালু করেন। এখন পর্যন্ত লাভের মুখ দেখেননি দীনবন্ধু সেন।প্রতিনিয়ত লোকসান গুনতে হচ্ছে। কিন্তু দিনবন্ধু সেন হাল ছাড়েননি। এমন সময় খামার ধ্বংস করে ও মুরগী খামারের মালিক দিনবন্ধুর পরিবারকে মার ধর করেন। এক পর্যায়ে উপজেলা চেয়ারম্যানকে এলকাবাসি একটি ঘরে অবরুদ্ধ করে।
খামারের মালিক দি নিউজকে বলেন আমি পাশের বাড়িতে ছিলাম হঠাৎ দেখি আমার খামারে সব তছনছ করে দিচ্ছে ১৫/২০ জন লোক। তখন আমি ও আমার ছেলে তাদের কাছে মিনতি করে বলি আমার এই ক্ষতিটা করবেন না।তখন এম এ মুঈদ ফারুক উপজেলা চেয়ারম্যান উনার হাতে থাকা বন্দুক  আমার বুকে ধরেন ও আমাকে কিল থাপ্পড় লাথি মারতে মারতে রাস্তার দিকে নিয়ে যায়।আর এদিকে মতিন, মইন, আহমদ, মোল্লা ও পাশের এলাকা বন্ডলির কয়েক জন মিলে মুরগীর খামার তছনছ করে দেয়। তাদের হাতে ধারালো অস্ত্র ছিলো।খামার মালিক দিনবন্ধু সেন আরো বলেন আমি ব্যাংক থেকে লোন ও ধার দেনা করে খামার শুরু করি এখনও কোন লাভের মুখ দেখিনি,ঘাটতি দিয়ে চালাতে হচ্ছে ফার্ম।খুব কষ্টে আছি।উনি বলেন আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি কখন কি হয় বলতে পারছি না।কান্না জরিত কন্ঠে বলেন আমার এই ক্ষতির জন্য উচিত বিচার চাই।
এদিকে এলাকাবাসী বলেন আমরা কিছু বুঝে না উঠতেই মুরগির খামারে হামলা দেখে জরো হলে একসময় জড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ মুঈদ ফারুকের সাথে ধস্তাধস্তি করে একটি ঘরে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।পরে পুলিশ ও এলাকা বাসির সাহায্য নিয়ে আমতৈল এলাকা ছাড়েন।এলাকার অনেকেই বলেন এই খামার নিয়ে পরিবেশ,দুষণ বিষয়ে আদালতে মামলা চলছে। পরে উচ্চ আদালতে মামলা দিনবন্ধুর পক্ষে আসে।আর শুক্রবারে ইউএনও মহোদয় এসে বলছেন এটা আদালতের বিষয় তাই আমি আদালতের আইন অমান্য করতে পারব না।
এলাকার কয়েক জন নাম প্রকাশ না করে বলেন উনি একজন জন উপজেলার চেয়ারম্যান উনি একটা এলাকায় এরকম দলবল নিয়ে হামলা করতে আসবেন কেন!এটা আমরা কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছি না।এরকম হতে থাকলে আগামীতে আমাদের উপর যে কোন বিষয় নিয়ে গুন্ডা বাহিনীর তান্ডব চালাবেন।তাই আমরা এই মুঈদ ফারুকের সঠিক বিচার চাই।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Brinda Chowdhury
লেখক / প্রতিবেদক

Brinda Chowdhury

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।