নিজেদের সংসারের খরচ বাঁচিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য মন্দির নির্মাণে খরচ করছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের মুজফ্ফরনগরের জেলার মুসলিম নারীরা। ভারতে তিন তালাককে আইন করে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে মোদি সরকার। যার ফলে মোদির জন্য মন্দির নির্মাণ করতে চলেছেন মুজফফরনগরের মুসলিম নারীরা।
বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি প্রকাশ্যেই কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তাঁরা। এবার আরও একধাপ এগিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নামে আস্ত একটা মন্দির তৈরি করছেন একদল মুসলিম মহিলা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তিন তালাকের বাতিলের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উপায় খুঁজছিলেন এলাকার মুসলিম মহিলাদের একটি সংগঠন। পরে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে তাঁর নামে মন্দির তৈরির সিদ্ধান্ত নেন। আর তারপরই নিজেদের জমানো টাকা খরচ করে ওই মন্দির তৈরির কাজ শুরু করেন। মুজফ্ফরনগরের জেলাশাসকের কাছে সমস্ত বিষয় উল্লেখ করে একটি স্মারকলিপিও জমা দেন।
ওই মহিলা সংগঠনের সদস্যাদের কথায়, উন্নত চিন্তাধারা ও দেশবাসীর প্রতি মনোভাবের জন্য সারা বিশ্বই নরেন্দ্র মোদিকে সম্মান জানাচ্ছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা পুরস্কার দিচ্ছে। তাই আমাদের মনে হয়েছে, নিজের দেশে তাঁকে সম্মানিত করা উচিত। এই ভেবেই প্রধানমন্ত্রীর নামে নিজেদের টাকাতেই মন্দির তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিই।
তাঁরা মনে করেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী মুসলিম মহিলাদের কথা ভাবেন। তাঁর বিভিন্ন কাজের মধ্যে দিয়ে তা অনুভব করতে পেরেছি।গোটা বিশ্বজুড়ে সম্মানিত হচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। নিজের দেশেও তাঁর সম্মান হওয়া দরকার। জেলাশাসকের কাছে ইতিমধ্যে মন্দির নির্মাণের কথা জানিয়ে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন মুসলিম মহিলারা। নিজেদের সংসারের খরচ বাঁচিয়ে মন্দির নির্মাণের খরচ তুলেছেন। রুবি গজনির কথায়, ”মুসলিম মহিলাদের তরফে স্পষ্ট বার্তা দিতে চাই, আমরা নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে রয়েছি। তাঁকে মুসলিম বিরোধী তকমা দেওয়ার পিছনে কোনও কারণই নেই।”




