আজিজুল ইসলামঃ যশোরের শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নের সংলগ্ন সীমান্ত ঘেষা একটি গ্রাম রুদ্রপুর।গ্রামটি সীমান্তের ধারে বলে এককালে চোরাচালানের সাথে জড়িয়ে পড়ে গ্রামের অধিকাংশ লোকজন।
ভারতের বি এস এফের গুলি ও তাদের নির্মম, নিষ্ঠুরতার অত্যাচার অন্যদিকে বিজিবির কতৃক হয়রানি, মিথ্যা মামলায় জর্জরিত গ্রামবাসী এখন চোরাচালান ছেড়ে ফিরে এসেছে তরকারি চাষে।তরকারি চাষ করে এখন তারা সুস্থ্য জীবন যাপন করছেন। বদলে নিয়েছেন তাদের জীবনের পথচলার এক অন্যতম দিক।
রুদ্রপুরের এই গ্রামে প্রায় ৩৩শ ভোটার, জনসংখ্যা প্রায় ৫ হাজার। পরিসংখ্যানে ১ পার্সেন্টেস লোকও এখন আর চোরাচালান পেশায় নেই বললেই চলে । তবে সীমান্তের দুইশ গজের ভিতরে পাটসহ কোন উচু ফসল লাগানো যাবেনা। তাই গ্রামের লোক সীমান্তের ধার ঘেষে পটল উচ্চে বেগুন ঝাল সহ নানান ধরনের তরিতরকারি ও সব্জির চাষ করছেন। তবে পটল চাষে এলাকার মানুষের আগ্রহ বেশী দেখা যাচ্ছে।
এলাকার পটল চাষী জানান, ১২ কাঠা অর্থাৎ১৯ শতক জমিতে পটল লাগিয়েছে অত্র অঞ্চলের গ্রাম্য চাষিরা তারা তাদের জমির নালার ধার ঘেষে বা ভিতরে লাগিয়েছে পিয়াজ ও রসুন সহ নানা প্রকার সবজি । এবছর প্রথম সে ৯০ টাকা কেজি দরে পটল বিক্রী করেছে। সে জানালো পটল চাষে খরচ বেশী না। তবে ফুল ছোয়ানো, আগাছা পরিস্কার ও ওষুধ ছিটাতে হয় প্রতিদিন।
গত বছর এই জমিতে সে ৯০ হাজার টাকার পটল বিক্রী করেছিলো। রুদ্রপুর ক্যাম্পের পুর্বপাশ থেকে খালমুখ পর্যন্ত সারা মাঠেই পটলের চাষ।ক্যাম্পের পশ্চিম পাশের সীমান্ত সংলগ্ন সমস্ত জমিতে একই কায়দায় পটলের চাষ চলছে। ফলে চোরাচালান ও গরুটানা কাজে ঝুকছেনা কেউ। তাই রাজার হালেই তাদের জীবন কাটছে এখন।



