বিশেষ প্রতিবেদকঃ চীন-ভারতের নিম্ন মানের ঔষুধশিল্পের ৯৫ ভাগ কাঁচামাল বিদেশ থেকে সরাসরি আমদানি করে ঔষুধ বানাতে হয়। এমন কী এ্যাকসিপিয়েন্ট ও প্যাকেজিং পণ্যও বিদেশ থেকে আনতে হয়।
তবে ১৩০টির বেশি দেশে বাংলাদেশের ঔষুধ রপ্তানি হলেও নেই কাঁচামাল এবং এ্যাকসিপিয়েন্ট ও প্যাকেজিং কারখানা। ফলে দেশের পুরো বাজারই নির্ভর করে আছে বিদেশী কাঁচামালের ওপর।
এতে অনেক সময়ে ইচ্ছা থাকলেও ঔষুধের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই ঔষুধের বাজারে দাম নির্ভর করে বিদেশীদের ওপরে। আর এ কারণে ডলারের ওঠা-নামায়ও সরাসরি প্রভাব পড়ে দামে।
দেশে এখনও কেবল কাঁচামাল তৈরি করে এমন প্রতিষ্ঠান আছে মাত্র একটি। এছাড়া কাঁচামাল বিদেশ থেকে আনার কারণে বাংলাদেশ হয়ে যাচ্ছে বিদেশী কোম্পানিগুলোর নিম্ন মানের পণ্যের ভাগাড়। কেবল আমদানির রশিদ দেখে এদেশে ঔষুধের কাঁচামাল আসে। আবার কাঁচামাল আমদানি হয় বিশ্বাসের ভিত্তিতে! কে কোথায় কী মানের কাঁচামাল তৈরি করেছে তার বেশিরভাগই থাকছে অন্ধকারে।
বিশেষ করে চীন ও ভারতের নিম্ন মানের পণ্যের বড় বাজার হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ।
এছাড়া দেশে ঔষুধের নতুন অণু আবিষ্কারের কোন গবেষণা নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যায়েও পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট এম. মোসাদ্দেক হোসেন জানান, মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ওষুধের ‘এ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রিডিয়ান পার্ক’ হয়ে গেলে সমস্যার কিছুটা সমাধান হবে।
এছাড়া ঔষুধের কাঁচামালসহ ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ ব্যবস্থায় নিজেদের স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে না পারলে আন্তর্জাতিক বাজার হারাবে বাংলাদেশ এমটাই এখন আশংকা বিশেষজ্ঞদের।



