ভোলা প্রতিনিধি॥ যেখানে হাসপাতালের জরুরী বিভাগ ২৪ঘন্টা চিকিৎসক থাকার কথা। সেখানে চরফ্যাশন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে জরুরী বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত চিকিৎসককে পাচ্ছেন না রোগীরা। একারণে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা যেমন ভোগান্তিতে পরেন, তেমনি স্বজনরা পরেন চরম হতাশায় এমন অভিযোগ প্রতিদিনের।
রোববার(৪নভেম্বর) বিকালে সরেজমিনে চরফ্যাশন হাসপাতালে গিয়ে রোগী এবং তাদের স্বজনদের এমন অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।
চরফ্যাশন পৌরসভা ৬নং ওয়ার্ডের নুর হোসেনের মেয়ে ঋতু হঠাৎ অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। তার চাচা আমির হোসেন তাকে বেলা ৩টায় জরুরী বিভাগে নিয়ে আসেন।
মেয়েটির অবস্থা বেহাল দেখে কর্তব্যরত ষ্টাফরা জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা.গৌতম সাহাকে ফোন করেন। ফোন করার দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও চিকিৎসক না আসায় রোগীর স্বজনরা হতাশায় পড়েন এবং হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা নিয়ে ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
অনেকক্ষন পর চিকিৎসক এসে রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা নেয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু স্বজনরা মেয়েটিকে ভোলা না নিয়ে হাসপাতাল রোডস্থ সেন্টাল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
অসুস্থ মেয়েটির চাচা আমির হোসেন জানান, সেন্টাল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার পর সে অনেকটা সুস্থ্য। এখন কিছুটা কথা বলছে। তার অভিযোগ হাসপাতালের চিকিৎসক চিকিৎসা না দিয়ে দায়িত্ব এড়িয়ে গেছেন।
ডা.গৌতম সাহা জানান, বড় ধরনের সমস্যা নিয়ে রোগী আসলে জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত ষ্টাফরা আমাদেরকে ফোন করলে আমরা এসে চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকি। ছোট খাটো সমস্যা গুলোর চিকিৎসা ষ্টাফরাই দিয়ে থাকে। তাদেরকে সেই প্রশিক্ষন দেওয়া আছে। হাসপাতালের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক সার্বক্ষনিক থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, জরুরী বিভাগে বসার ভালো ব্যবস্থা নাই, তাই কেউ থাকেন না।
চরফ্যাশন হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.শোভন কুমার বসাক জানান, চিকিৎসক স্বল্পতার কারনে এটা হয়েছে। এবিষয়ে আমি ব্যবস্থা নিচ্ছি।



