ভারত প্রতিনিধিঃ এমন এক সময় ছিল যখন সনাতনী হিন্দুরা পঞ্জিকা দেখে গ্রহ নক্ষত্রের অবস্থান বলে দেওয়াতে, গ্রহণের দিন বলে দেওয়াতে পাশ্চাত্য দেশগুলি হাসাহাসি করতো। তাদের দাবি ছিল, ভারতের লোকজন অজ্ঞ, মূর্খ তথা ভারতে তর্ক যুক্ত কোনো জ্ঞান নেই। তবে বিজ্ঞানের বিকাশ ঘটলে প্রমাণিত হয় যে হিন্দুদের দাবি একেবারে সত্য। অন্যদিকে শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দ বিদেশ ভ্রমণ করলে ভারতের সম্পর্কে বিদেশীদের ধারণা বদলে যায়। স্বামী বিবেকানন্দের মুখে বেদান্তের অমোঘ বাণী ও ব্যাখ্যা শুনে পাশ্চাত্যের দার্শনিকরা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে পড়ে। বিবেকানন্দের তেজস্বী বাণী শুনে তারা স্বামীজিকে সাইক্লোনিক হিন্দু সন্নাসী আখ্যা দেন। সেই সময় স্বামীজিকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি ভারতে ধর্মের প্রচার করেন না কেন? ভারতে এসে কেন শুধুমাত্র দরিদ্রের সেবা করতে বলেন। উত্তরে স্বামীজি বলেছিলেন পাশ্চাত্যের জমি উর্বর এখানে লোকজন অতি সহজে হিন্দু সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট হবে, ভারতে এটা সম্ভব নয়। ভারতে আগে জমিকে উর্বর করতে হবে।
স্বামী বিবেকানন্দের এই কথা আজকের দিনে দাঁড়িয়েও মিলে যায়। একদিকে ভারতের সিনেমা জগৎকে হিন্দু দেবী দেবতাদের নিয়ে ঠাট্টা তামাশা করতে দেখা যায়, অন্যদিকে হলিউডের একের পর এক বড়ো অভিনেতা অভিনেত্রী হিন্দু সংস্কৃতি আপন করে নিচ্ছেন। ভারতের যুবক যুবতীরা যখন হাতে প্রেমিকা প্রেমিকের নামের ট্যাটু আঁকতে ব্যাস্ত তখন পাশ্চাত্য দেশের মানুষরা সংস্কৃত ভাষায় ট্যাটু আঁকিয়ে তাকে লাগিয়ে দিচ্ছেন।





