× Banner
সর্বশেষ
কৃষিভিত্তিক শিল্প ও অ্যাগ্রো বিজনেসে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের গৌরবময় ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরলেন পর্যটনমন্ত্রী বাংলাদেশকে উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য সরকারের: প্রযুক্তিমন্ত্রী আবহাওয়ার সতর্কবার্তাবঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ২৭ জুলাই থেকে শুরু ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন, ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা বান্দরবানে সাঙ্গু নদীতে নৌকাডুবির দুই দিন পর নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার সাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত আদালতে রাষ্ট্রপ্রতির বিরুদ্ধে মামলা করা যায় না – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শেষ হচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬’

করোনায় করুণা নয়, হোক সাময়িক সাহায্য 

Kishori
হালনাগাদ: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২০
করোনায় করুণা নয়, হোক সাময়িক সাহায্য 

সৈয়দ রাকিবুল ইসলামঃ  করোনা ভাইরাসের সংক্রমনে কাপছে বিশ্ব। প্রতিনিয়তই আক্রান্ত  হচ্ছে  অসংখ্য মানুষ। সারাবিশ্বে শিশু, যুবক  কিবাং বৃদ্ধ কেহই,  রেহাই পাইনি করোনার ভয়াবহ থাবা থেকে।বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল । করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে, নেই তেমন কোন প্রতিশোধক।
বিশ্বের বিভিন্ন  দেশের  বিজ্ঞানীরা প্রতিশোধক আবিস্কারে মরিয়া।তবে এখন পর্যন্ত কেউ ভাল কোন আশার বানী শোনাতে পারেনি। তাই সচেতনতাই একমাত্র প্রতিরোধ ব্যাবস্থা।কারোনার  প্রাদুর্ভাব  ঘটছে, আমাদের জনবহুল দেশ বাংলাদেশেও। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত,  ব্যাক্তিবর্গ, লোকজনের মধ্যেই প্রথম  করোনা সনাক্ত হয়েছে। তাদের সংস্পর্শে, এসে আক্রান্ত হয়েছেন অনেকেই।
বাংলাদেশে এপর্যন্ত সরকারী হিসেবে আক্রান্ত হয়েছেন ৭০  জন সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরছেন ৩০ জন, মারা গেছেন ৮ জন। তাই ভয়াবহ করোনা প্রভাব প্রতিরোধে তৎপর সরকার ও প্রশাসন। যেহুতু করোনা ভাইরাস আক্রান্ত ব্যাক্তির  সংস্পর্শে  ছড়ায়, তাই  একমাত্র প্রতিরোধ ব্যাবস্থা নিজ বাড়ীতেই অবস্থান। এবং যতাসম্ভব সকলকে এরিয়ে চলা। পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকা। এমতাঅবস্থায়, সবাই যাঁর যাঁর  বাড়ীতেই অবস্থান করছেন।
করোনার প্রাদুর্ভাব রোধ করতে বিশেষভাবে, বাড়ীতে থাকার আহবান জানিয়েছেন প্রাশাসন। যার প্রভাব পড়েছে,নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মধ্যবিত্ত মানুষের উপর। দৈনিক বেঁচে থাকার তাগিদে, যাদের কাজে বের হতে হয়।এসব কর্মঠ্য মানুষ সাময়িক কিছু দিনের জন্য কর্মহীন হয়ে পড়েছে।
এতে করে সংসারে, অভাবের সৃষ্টি হয়েছে অনেক পরবিবারের। ইতিমধ্যে তাদের সহায়তা করার জন্য সরকার ত্রানের বন্দবস্ত করেছে। তাছাড়া সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ব্যাক্তি বর্গও এগিয়ে এসেছেন।সাময়িক কমর্হীন মানুষের অভাব হয়তো চিরস্থায়ী নয়, সাময়িক এই সাহায্য প্রাপ্তি।
তাদের মহামারী সংকট কেটে যাবে, অচিরেই। এই ভাবনায় প্রহর গুনছে। তাই  সাময়িক বিপদগ্রস্ত মানুষদের পাশে থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে, দেওয়া করুণা বা ভিক্ষা নয়। পক্ষান্তরে নৈতিক মুল্যবোধ অক্ষুন্ন রেখে আমাদের সাহায্য হোক সামাজিক ও  মানবিক কল্যান ও মঙ্গলের জন্য। এই ব্রত ও সামাজিক দায়বদ্ধ মনোভাব নিয়ে, বৃত্ত ও সামার্থবানরা সাময়িক অভাব গ্রস্তদের পাশে দাড়াবে।  এভাবেই প্রকৃত স্বদেশ  প্রেম ও মানব প্রেম জাগ্রত হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..