× Banner
সর্বশেষ
তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ – প্রধানমন্ত্রী বস্তুনিষ্ঠতা ও সত্য উদঘাটনই সঠিক সাংবাদিকতার মূলভিত্তি: তথ্যমন্ত্রী পুরুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন আদিবাসী নারীরা, মজুরিতে বৈষম্য ঢাকার চক্রাকার নৌপথে চালু হবে ওয়াটার বাস – নৌ পরিবহনমন্ত্রী ফ্যাসিস্টদের ফটোকপি বিএনপির মধ্যে দেখতে পাচ্ছি – জামায়াত আমির আগস্টে নিষিদ্ধ ঘোষিত গোষ্ঠীর তৎপরতা; সতর্ক থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ-মিয়ানমার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও যোগাযোগ জোরদারে বাণিজ্যমন্ত্রীর বৈঠক জনবান্ধব ও পেশাদার পুলিশ বাহিনী গড়ার অঙ্গীকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ডেভিড ইমনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর ২০ বছর ধরে মৃত শিক্ষকের বেতন উত্তোলন, অভিযোগ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে

আত্মসমর্পণের জন্য সময় পেলেন ফখরুল

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

স্টাফ রিপোর্টারঃ নাশকতার আরও তিন মামলায় বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের জন্য আরও ছয় সপ্তাহ সময় পেয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার আইনজীবীদের করা এক আবেদন শুনে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ  গতকাল সোমবার এই আদেশ দেয়।

গত ১৩ জুলাই আপিল বিভাগ স্বাস্থ্যগত অবস্থা বিবেচনা করে পল্টন থানার এই তিন মামলায় মির্জা ফখরুলকে হাই কোর্টের দেওয়া ছয় সপ্তাহের জামিন বহাল রাখে। জামিনের মেয়াদ শেষে ফখরুলকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছিল। ওই মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ায় আত্মসমর্পণের জন্য আদালতে আরও আট সপ্তাহ সময় দেওয়ার আবেদন করেন ফখরুলের আইনজীবী জয়নুল আবেদীন।

গত ২৪ অগাস্ট চেম্বার আদালত আবেদনটি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়ে দেয়। এর ধারাবাহিকতায় সোমবার আপিল বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হয়। শুনানিতে জয়নুল আবেদীনের সঙ্গে ছিলেন সগীর হোসেন লিওন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকির। শুনানি শেষে আদালত আত্মসমর্পণের জন্য ফখরুলকে আরও ছয় সপ্তাহ সময় দেন। এর ফলে কার্যত তার জামিনের মেয়াদও আরও ছয় সপ্তাহ বাড়ল। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর গত ২৬ জুলাই চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যান মির্জা ফখরুল্। সেখান থেকে ১১ অগাস্ট তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যান বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী লিওন।

মুক্তির আগে প্রায় ছয় মাস কারা তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বর্ষপূর্তি ঘিরে বিএনপির আন্দোলনের মধ্যে গত ৬ জানুয়ারি জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের পর গ্রেপ্তার হন ফখরুল। এরপর নাশকতার সাতটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর মধ্যে পল্টন থানায় গাড়ি পোড়ানো, অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের এক মামলায় গত ১৬ এপ্রিল হাই কোর্ট থেকে ছয় মাসের জামিন পান মির্জা ফখরুল। এরপর পল্টন থানার দুটি এবং মতিঝিল থানার এক মামলায় ১৮ জুন পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল পর্যন্ত তাকে জামিন দেয় হাই কোর্ট।

রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে গেলে সেখানেও ফখরুলের জামিন বহাল থাকে। আর পল্টন থানার ওই তিন মামলায় গত ২১ জুন হাই কোর্ট রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফখরুলের জামিন মঞ্জুর করে। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে গেলে আদালত পাঁচ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড করে ফখরুলের স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশ দেয়। সে অনুযায়ী পরীক্ষা করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আদালতে প্রতিবেদন দেয়। ১৩ জুলাই তিন মামলায় জামিন লাভের পর মির্জা ফখরুল চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..