বিশেষ প্রতিবেদকঃ প্রস্তাবিত পরিবহন আইন সংসদে পাস হলে সব সমাধান হয়ে যাবে। আইনের খসড়া আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন হবে। এরপর সংসদে পাস হবে। এই আইন বাস্তবায়ন হলে রাস্তায় মাছির মতো পাখির মতো যে মানুষ মারা যায়, এটা আর থাকবে না, সবাই সতর্ক হয়ে যাবে। শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের মধ্যে আতঙ্কে পরিবহন মালিকরা গাড়ি বন্ধ রেখেছেন বলে জানালেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত ৯ দফা দাবি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, গাড়ি যাতে রাস্তায় নামে- এ ব্যাপারে মালিক শ্রমিকদের অনুরোধ করেছি। বিআরটিসির গাড়ি আমি চালু রেখেছি। বেসরকারি গাড়ি মালিকদের বলা হয়েছিল গাড়ি বের করতে, তারা বলছেন গাড়ি ভেঙে ফেলবে, তাই আতঙ্কে মালিকরা গাড়ি বের করছেন না।
সড়কমন্ত্রী বলেন, সড়ক পরিবহন আইনে পথচারীদেরও রাস্তায় চলাচলের যে নিয়ম সেটাও উল্লেখ আছে। শিক্ষার্থীরাও যাতে পথে সচেতনভাবে চলে সে ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব আছে। মোবাইলে কথা বলতে বলতে যাতে কেউ রাস্তা পার না হয় সে বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। প্রয়োজনে সড়কে দুর্ঘটনা বিষয়ে মামলাগুলো দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হবে।
এই আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করে সরকার ও নৌমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর- এ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, তাদের এখন আর উপায় নেই। তারা কোটার ওপর ভর করবে, ছাত্রদের আন্দোলনের ওপর ভর করবে। নিজেদের কিছু করার সাহস তাদের নেই।




