রাতজাগা মানুষের অকাল মৃত্যুর আশঙ্কা ১০ শতাংশ বেশি

যুক্তরাজ্যের এক গবেষণায় জানা যায়, যারা রাতে দেরি করে ঘুমায় ও সকালে দেরিতে ঘুম থেকে উঠে তাদের অকালে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে।

৪ লাখ ৩৩ হাজার মানুষের ওপর জরিপ চালিয়ে দেখা যায়, সকালে তাড়াতাড়ি ওঠা ব্যক্তিদের চেয়ে রাতজাগা মানুষের অকাল মৃত্যুর আশঙ্কা ১০ শতাংশ বেশি।

গবেষণায় দেখা যায়, দেরি করে ঘুম থেকে ওঠার কারণে বিভিন্ন মানসিক ও শারীরিক জটিলতার শিকার হতে হয়। তাই সুস্বাস্থ্যের জন্য আট ঘণ্টা ঘুম জরুরি।

গবেষণাপত্রটি আন্তর্জাতিক ক্রোনবায়োলজি জার্নালে প্রকাশ করা হয়। সেখানে দেখা যায়, নিয়মিত সকালে ঘুম থেকে ওঠা ব্যক্তির গড় আয়ু রাতজাগা ব্যক্তিদের থেকে সাড়ে ছয় বছর বেশি

বয়ঃসন্ধিকালের আগ পর্যন্ত প্রতি রাতে ১১ ঘণ্টা ঘুমানোর জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে। নবজাতকের জন্য প্রতিদিন ১৮ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়েছে গবেষণায়। যাদের বয়স ১৩ থেকে ১৯ বছর তাদের প্রতি রাতে ১০ ঘণ্টা ঘুমানো উচিত।

একজন সুস্থ মানুষের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। একটানা ঘুম সবচেয়ে ভালো। তবে যদি কাজের প্রয়োজনে আপনি একটানা ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমাতে না পারেন, তবে ভাগ করে ঘুমাতে হবে।

আসুন জেনে নিই ঘুম নিয়ে কিছু পরামর্শ-

১. শোবারঘরে যেন সূর্যের আলো সহজেই পৌঁছায়; কিন্তু রাতেরবেলা অন্ধকার থাকে।

২. প্রতিদিন রাতে একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে হবে। খুব দেরিতে ঘুমাতে যাওয়া ঠিক নয়।

৩. সুস্থের জন্য ঘুমের সময়ের সঙ্গে কোনো অবস্থাতেই আপস করা যাবে না।

৪. দিনের কাজ দিনের মধ্যেই শেষ করে রাতে ঘুমানোর সময় ঘুমাতে হবে। মনে রাখবেন রাত জাগা শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

৫. ঘুমানোর সময় মোবাইল ও ল্যাপটপ দূরে রাখা।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Brinda Chowdhury
লেখক / প্রতিবেদক

Brinda Chowdhury

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।