এলডিসির টেকসই উন্নয়নে সহজশর্তে ও স্বল্পসুদে অর্থায়ন ও বৈশ্বিক আর্থিক সংস্কারের আহ্বান ড. তিতুমীরের

এলডিসির টেকসই উন্নয়নে সহজশর্তে ও স্বল্পসুদে অর্থায়ন ও বৈশ্বিক আর্থিক সংস্কারের আহ্বান ড. তিতুমীরের
এলডিসির টেকসই উন্নয়নে সহজশর্তে ও স্বল্পসুদে অর্থায়ন ও বৈশ্বিক আর্থিক সংস্কারের আহ্বান ড. তিতুমীরের

বিশ্বের স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সহজশর্তে ও স্বল্পসুদে অর্থায়ন বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার, জলবায়ু অর্থায়নে সহজ প্রবেশাধিকার, বৈশ্বিক বাজারে উন্নত সুযোগ এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়নবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ফোরাম (HLPF)-এ স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) পক্ষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত বাস্তবতায় এলডিসিগুলো একাধিক কাঠামোগত সংকটের মুখোমুখি। বাড়তে থাকা ঋণের চাপ, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব, সরকারি উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) কমে যাওয়া, ডিজিটাল বৈষম্য এবং সাশ্রয়ী অর্থায়নের সীমিত সুযোগ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ও দোহা কর্মসূচি বাস্তবায়নে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এলডিসিগুলোর উন্নয়ন অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত করতে ন্যায্য ও পর্যাপ্ত উন্নয়ন অর্থায়ন নিশ্চিত করা, কার্যকর ঋণ পুনর্গঠন ও সমাধান ব্যবস্থা গড়ে তোলা, জলবায়ু তহবিলে সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা, উন্নয়নবান্ধব বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবেশ সৃষ্টি এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর ও ডিজিটাল সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাস্তবসম্মত সহযোগিতা প্রয়োজন।

ড. তিতুমীর আরও বলেন, ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের সময়সীমা দ্রুত এগিয়ে আসছে। হাতে পাঁচ বছরেরও কম সময় থাকলেও অনেক স্বল্পোন্নত দেশ এখনো অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। তাই এসডিজি এবং দোহা প্রোগ্রাম অব অ্যাকশন বাস্তবায়নে সমন্বিত, কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈশ্বিক উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি।

তিনি বলেন, স্বল্পোন্নত দেশগুলো নিজেদের উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অটল থাকলেও তাদের বাস্তব চাহিদা, ঝুঁকি এবং সক্ষমতাকে বিবেচনায় নিয়ে আরও ন্যায়সঙ্গত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা অপরিহার্য।

ড. তিতুমীরের মতে, উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করা গেলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সহজ হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।