× Banner
সর্বশেষ
বাহাদুরপুর ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আসাদুজ্জামান আসাদ প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে যোগদানের আমন্ত্রণ পর্যালোচনা করছে সরকার – পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুন্দরবনের বাঘ ও আবাসস্থল রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর – পরিবেশমন্ত্রী দেওয়ানি মামলার জট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার – আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভূমিকম্প বিষয়ক প্রস্তুতি সভা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভুবন ভোলানো হাসিতে মন জয় করা তাহসিনের সাক্ষাৎ ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি শ্রমিকদের আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পের টাকা জনগণের, এক টাকার অপচয়ও সহ্য করা হবে না: তথ্যমন্ত্রী হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগানো দালাল চক্র ও সিজার বাণিজ্য স্থায়ীভাবে বন্ধ হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা গড়া সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: মীর শাহে আলম

যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বঙ্গবন্ধুর খুনি

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৭

নিজম্ব প্রতিবেদকঃ বঙ্গবন্ধুর খুনি একেএম মহিউদ্দিন আহমেদের রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা নাকচ হয়ে যাওয়ার পর ২০০৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। তার রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা যেসব কারণে নাকচ হয়, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী তিনি একজন টেরোরিস্ট। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও হুমকি। তার সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বঙ্গবন্ধুর খুনি’।

২০০২ সালের ২৯ মে মহিউদ্দিনের রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা নাকচ করে দেন অভিবাসন-বিষয়ক বিচারক হেনরি পি ইপেমা। ওই রায়ের বিরুদ্ধে মহিউদ্দিন বোর্ড অব ইমিগ্রেশন আপিল আদালতে রিভিউ করেন। রিভিউর আদেশেও আগের রায় বহাল রাখা হয়।

এরপর তিনি ইউএস কোর্ট অব আপিল, নাইন্থ সার্কিটে একটি আবেদন করলে ২০০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর তা খারিজ করে দেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের কোর্ট অব আপিলের পুরো রায়ে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ হিসেবে সম্বোধন করা হয়। মহিউদ্দিন ১৯৭৫ সালের ক্যুতে কী ভূমিকা রেখেছিলেন, কেন তার রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা নাকচ করা হয়েছে, তারও বিশদ বর্ণনা দেওয়া হয়েছে আদালতের রায়ে।

মহিউদ্দিনের ভূমিকাঃ

যুক্তরাষ্ট্রের কোর্ট অব আপিলের রায়ে বলা হয়, মেজর বা তার নিচের পদের ১২ থেকে ২০ জন মিলিটারি অফিসার এবং তাদের দু’টি রেজিমেন্টের ক্যুতে জড়িত ছিল। মহিউদ্দিন ফোর ল্যান্সার স্কোয়াড্রনের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

রায়ে বলা হয়, ‘রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনার লিখিত আবেদনে মহিউদ্দিন স্বীকার করেছেন, তার দায়িত্ব ছিল শেখ মুজিবের বাসায় যাওয়ার উত্তর ও পশ্চিম দিকের রাস্তা অবরোধ করে রাখা, যেন বাইরের কেউ ঢুকতে না পারে।’

নিজের রাজনৈতিক আশ্রয় সংক্রান্ত ইন্টারভিউয়ে মহিউদ্দিন বলেছিলেন, সামরিক কর্মকর্তারা ধারণা করেছিলেন প্রেসিডেন্টের বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (রক্ষী বাহিনী) বঙ্গবন্ধুকে বাঁচানোর জন্য আসতে পারে। এ কারণে তার দায়িত্ব ছিল তাদের রাস্তায় আটকানো।

রায়ে বলা হয়, ‘তাদের নিজস্ব জবানবন্দিতে পরিষ্কার যে, মহিউদ্দিন ১৯৭৫ সালের ক্যুতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।’

জাতীয় নিরপাত্তার জন্য হুমকি

রায়ে বলা হয়, ক্যুতে মহিউদ্দিনের অংশ নেওয়ায় এটি বিশ্বাস করার মতো যথেষ্ট কারণ আছে যে, তিনি ‘যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি।’ রায়ে আরও বলা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্রে প্রচলিত সংজ্ঞা অনুযায়ী মহিউদ্দিনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে একজন টেরোরিস্টের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিল আছে।’

বঙ্গবন্ধুর আরেক খুনি রাশেদ চৌধুরী
একই অপরাধে দোষী, কারণ তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছিলেন।

মহিউদ্দিনকে টেরোরিস্ট ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে অভিহিত করেছেন দেশটির আদালত। একই অপরাধে দোষী হওয়ার কারণে রাশেদ চৌধুরীও যুক্তরাষ্ট্রের সংজ্ঞা অনুযায়ী একজন টেরোরিস্ট এবং দেশটির জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রে আদালত। এরপরও একজন টেরোরিস্ট হয়েও গত ২০ বছরের বেশি সময় ধরে রাশেদ চৌধুরী রাজনৈতিক আশ্রয়ের সুবিধা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..