× Banner
সর্বশেষ
পাইকগাছার ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে আমুরকাটা বয়ারঝাপা সড়ক সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে -তথ্য উপদেষ্টা দেশে হাম ও উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু  সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নতুন বিনিয়োগ আনতে ২৭ দেশে আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ তনু হত্যা মামলা; আরও দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ বিমান বাহিনী প্রধানের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন নৌবাহিনী প্রধান রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী নৌপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ বিএফটিআই হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গবেষণার জাতীয় থিংক ট্যাংক -বাণিজ্যমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে নতুন বিধিনিষেধ, এমপিও শিক্ষক ও ঋণখেলাপিরা অযোগ্য

জাপার চেয়ারম্যান-মহাসচিব এরশাদ-হাওলাদারই

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ১৪ মে, ২০১৬

ডেস্ক রিপোর্টার: শনিবার জাতীয় পার্টির (জাপা) ৮ম কেন্দ্রীয় কাউন্সিল। এই সম্মেলন বেলা ১১টা থেকে রাজধানী রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনের বাইরে অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকঢোল পিটিয়ে সম্মেলন করলেও পার্টির চেয়ারম্যান, কো-চেয়ারম্যান ও মহাসচিব পদে নির্বাচন কিংবা কোনো প্রকার ভোট হচ্ছে না। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আবারো জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও মহাসচিব নির্বাচিত হচ্ছেন, দলটির বর্তমান চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ও মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমীন হাওলাদার।

এ ব্যাপারে দলের প্রভাবশালী প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, ‘স্যার চেয়ারম্যান থাকছেন এটা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর মহাসচিব পদে এ বি এম রুহুল আমীন হাওলাদার ছাড়া আর কাউকে দেখছি না।’ তাদের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টির আগামী দিনে আরো শক্তিশালী হবে বলেও মন্তব্য করেন কাজী ফিরোজ রশিদ।

দলীয় সূত্র জানান, পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ, মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমীন হাওলাদার ছাড়া দলের কো-চেয়ারম্যান হিসেবে থাকছেন সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ ও জি এম কাদের। এসব পদেও নির্বাচন হবে না। বরং তাদের পদ দুটি এতদিন গঠনতন্ত্রে ছিল না। আগামীকাল সম্মেলনের মাধ্যমে গঠনতন্ত্র সংশোধন করে পদটি বৈধ করে নেওয়া হবে।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট থেকে জাতীয় পার্টি বেরিয়ে যাওয়ার পর মহাসচিব নাজিউর রহমান মঞ্জুর নেতৃত্বে আরেকটি জাতীয় পার্টি গঠিত হয়। এবং ওই জাপা এখনো বিএনপি জোটে রয়েছে। এ সময় দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য এ বি এম শাজাহানকে দলের মহাসচিব করা হয়। তারপরেই পার্টির মহাসচিব পদে আসীন হন এ বি এম রুহুল আমীন হাওলাদার। সেই থেকে তিনি একটানা প্রায় ১৪ বছর জাতীয় পার্টির মহাসচিব ছিলেন।

২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর হঠাৎ তার পরিবর্তে মহাসচিব করা হয় জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুকে। তিনি খুব বেশি দিন এ পদে টিকে থাকতে পারেননি। জি এম কাদেরকে কো-চেয়ারম্যান করা ইস্যুতে এরশাদের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করায় মহাসচিবের পদ থেকে তাকে অপসারণ করেন পার্টির চেয়ারম্যান। একইভাবে তার পরিবর্তে ফের মহাসচিব করেন এ বি এম রুহুল আমীন হাওলাদারকে। আর সবকিছুই করা হয় দলের গঠনতন্ত্রের ৩৯ ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..