× Banner
সর্বশেষ
সরকার শুধু স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নয়, সার্বিক উন্নয়নে বদ্ধপরিকর – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণে বুথ ভাড়া মওকুফ করা হবে – বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী শ্যামনগরে দুই ক্লিনিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা আগস্টে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘আবাসন মেলা’ বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রকল্পে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে – আফরোজা নতুন কুঁড়ি ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন সিলেট-রংপুর নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা জাতীয় সংকটে পরিণত হয়েছে – মহিলা পরিষদ কালীগঞ্জের পত্রিকা বিতরণকারী জাহাঙ্গীরের মৃত্যু

খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফের সাথে যৌথবাহিনীর বন্দুকযুদ্ধে নিহত এক

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৬

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ  জেলার মহালছড়ি উপজেলার কুতুকছড়িতে যৌথবাহিনীর সাথে সশস্ত্র গোষ্ঠী ইউপিডিএফের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে এক অস্ত্রধারী নিহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি সাব মেশিনগানসহ দু’টি আগ্নেয়াস্ত্র ৬৮ রাউন্ড গুলি ও অন্য সরঞ্জামাদি উদ্ধার হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্র জানায়, কুতুকছড়িতে ইউপিডিএফের ১৫-২০ সদস্যের একটি সশস্ত্র দল দলীয় প্রধানের নেতৃত্বে গোপন বৈঠক করে পার্বত্য চট্টগ্রামের তান্দং, গঙ্গারাম, সাজেক, বঙগাতলী, ঘিলাছড়ি, হামুক্কুছড়া, কুতুকছড়ি, মাইলছড়ি, সিদ্ধিছড়িসহ বিভিন্ন স্থানে নাশকতার পরিকল্পনা করছে বলে খবর পাওয়া যায়। গোপন বৈঠক শেষে ইউপিডিএফের সশস্ত্র দলটি গোপন আস্তানায় চলে যায়।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় মহালছড়ি জোন সদর থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি দল দাতকুপিয়া এবং ভুয়াছড়ি এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে গিয়ে ইউপিডিএফের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গোপন আস্তানাটির সন্ধান পায় এবং যৌথবাহিনী সন্ত্রাসীদের গোপন আস্তানা ঘিরে ফেলতে সম হয়। যৌথবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা নিরাপত্তা বাহিনীকে ল্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে। জবাবে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে দলটিও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে সশস্ত্র সন্ত্রাসী দলটি অন্ধকার পাহাড়ে পালিয়ে যেতে সম হয়।

এ সময় দুই পরে মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে সামরিক পোশাক পরিহিত ইউপিডিএফের এক সন্ত্রাসী গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। নিরাপত্তা বাহিনী তার কাছ থেকে ৪৯ রাউন্ড গুলিসহ একটি চাইনিজ সাব মেশিনগান (এসএমজি) উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে নিরাপত্তা বাহিনী আরো একটি বিদেশী জি-৩ রাইফেল (১৯ রাউন্ড গুলিসহ), এক রাউন্ড খালি কার্তুজ এবং একটি ব্যাগ (ব্যক্তিগত সরঞ্জামাদিসহ), একটি ওয়্যারলেস সেট এবং একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থল ঘিরে রেখে এখনো তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে। এ ছাড়াও পালিয়ে যাওয়া সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের ল্েয নিরাপত্তা বাহিনীর চিরুনি অভিযান এখনো চলমান রয়েছে বলে জানা যায়।

পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থিতিশীল পরিস্থিতিকে বিনষ্ট করার ল্েয ভূমি দখল, বাঙালি হটাও এবং তথাকথিত জুমল্যান্ড গঠনের চক্রান্ত নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরে পাহাড়ি সশস্ত্র সংগঠনগুলো খুন, গুম, হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজিসহ নানান সশস্ত্র অপপ্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্র জানায়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..