বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ১০০টি এবং স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তির স্মারক হিসাবে ৫০টি, মোট ১৫০ অ্যাম্বুলেন্স বাংলাদেশকে উপহার দেয়া হবে, যা বাংলাদেশের সব জেলাতেই কাজ করবে। বলেছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা।
আজ বুধবার ভারত সফররত বাংলাদেশি সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন তিনি।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে (১৭ মার্চ) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত থাকবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
তিনি বলেন, শুধু ঢাকা নয় চট্টগ্রাম, বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেটে বেশ কিছু প্রকল্পে সহায়তা দেবে ভারত। আশা করা যাচ্ছে মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানেই সেসব ঘোষণা আসবে। এছাড়া ফেনী নদীর সীমান্ত ব্রিজও উদ্বোধন হতে পারে।
বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য ক্রমান্বয়ে সব স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে যাতায়াতের সীমাবদ্ধতা উঠিয়ে নেয়া হবে বলেও জানান শ্রীংলা।
বর্তমানে সব আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট ছাড়াও, যশোরের বেনাপোল (ভারতের হরিদাসপুর), চুয়াডাঙ্গার দর্শনা (ভারতের গেদে) স্থল বন্দর দিয়ে ভিসায় উল্লেখ না থাকলেও আসা যাওয়া করতে পারে বাংলাদেশি পর্যটকরা। খুব শিগগিরই সাতক্ষীরার ভোমড়া (ভারতের গোজাডাঙ্গা) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া (ভারতের আগরতলা) স্থল বন্দর দিয়েও ভিসায় উল্লেখ ছাড়াও যাতায়াত করা যাবে। এ সংক্রান্ত ঘোষণা আসবে শিগগিরই।
অসংখ্য বাংলাদেশি চেন্নাইয়ে চিকিৎসার জন্য এলেও কনস্যুলার সেবার জন্য তাদের দিল্লি, মুম্বাই অথবা কলকাতার বাংলাদেশ মিশনের ওপর নির্ভর করতে হয়। তাই চেন্নাইতে একটি কনস্যুলেট চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। ভারত সরকারের তরফেও যাবতীয় অনাপত্তি ও আনুষ্ঠানিকতা শেষ করা হয়েছে বলে জানান ভারতের পররাষ্ট্র সচিব।
আগামী ১৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর (মুজিববর্ষ) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার কথা ছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক, কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী সামদেক হুন সেন, ইউনেস্কোর সাবেক মহাসচিব ইরিনা বোকোভাসহ বেশ কয়েকজন বিদেশি অতিথির।
এছাড়া কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ও ইতালির প্রধানমন্ত্রী জুসেপ্পে কোন্তের থাকার বিষয়েও আলোচনা চলছিল। কিন্তু দেশে করোনাভাইরাসে রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চের অনুষ্ঠান ছোট করা হয় এবং বিদেশি অতিথিদের অংশ গ্রহণের বিষয়টি বাতিল করা হয়।



