সুজন চক্রবর্তী-কক্সবাজার: কক্সবাজার উখিয়ার কুতুপালং লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ এক অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে।এতে তিনশত বারটি রোহিঙ্গাদের ঝুপঁড়ি ঘর ও ৩৭টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
এতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক হারে, আনুমানিক,! কেউ হতাহত হয়নি বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।রোহিঙ্গারা জানিয়েছেন, প্রতিটি বাড়ীতে গ্যাসের সিল্ডিটার রয়েছে। অধিকাংশ রোহিঙ্গারা এর ব্যবহার বিধি জানে না। তাই প্রতিনিয়ত অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটছে। রোহিঙ্গারা এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীপন যাপন করছে।
তারা আরো বলেন, রান্না ঘরের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।১২,মে মঙ্গলবার সকাল আটটার দিকে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে উখিয়ার ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্হলে যান। পরে রোহিঙ্গা ও স্হানীয়দের সহযোগীতায় আগুন নিয়ন্ত্রন আনেন।এ ব্যাপারে উখিয়ার কুতুপালং লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের হেড মাঝি ই ওয়ান ব্লকের বাসিন্দা আলী হোসেন বলেন রান্না ঘরের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত। অগ্নিকান্ডের পুড়ে গেছে রোহিঙ্গাদের ৩১২টি ঝুঁপটি ঘর। এরা এখন খোলা আকাশের নিচে বসে আছে।
আরেক মাঝি মাহামুদ উল্লাহ বলেন রোহিঙ্গা এখন দিশেহারা। রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আহবান জানান।
মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে ঘটনাস্হল পরিদর্শন করেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো:নিকারুজ্জামান।
উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশন মাষ্টার এমদাদুল হক বলেন, ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ঘটনাস্হলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রন আনেন। এখনো পর্যন্ত আগুনের সূত্রপাত জানা যায়নি।
এ ব্যাপারে উখিয়া থানার তদন্ত ওসি নুরুল ইসলাম অগ্নিকাণ্ডের নিশ্চিত করেন।
স্থানীয়রা জানান এনজিওগুলো ঝুপড়ি ঘরের থাকার যাদের ব্যবস্থা জায়গায় নেই অথচ গ্যাস সিলেন্ডার নিয়ে গাদাগাদি করে থাকে তারা, এই ছাড়া কিছুই বোঝে না রোহিঙ্গা নারীরা, অথচ তাদেরকে উন্নত মানের জিনিসপত্র দিয়ে বিপদ ডেকে নিয়ে এসেছে, এতে বাংলাদেশের ক্ষতি হতে পারে, স্থানীয়দের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে বিভিন্ন কারণে বড় দুর্ঘটনা ঘটে পারে অগ্নি সূত্রপাত দিয়ে।



