× Banner
সর্বশেষ
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ও পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে – ককরোচ পার্টি কালীগঞ্জে জেলা প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ উদ্বোধন নড়াইলে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর যশোরে বিজিবির অভিযানে ৪৬ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা মূল্যের ২ পিচ স্বর্ণবারসহ আটক-১ ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় এমপি গাজী নজরুল ইসলামের শ্যামনগরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা রোগ শনাক্তে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে স্বাস্থ্যকর্মীরা -স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী শৈলকুপায় ট্রাক চাপায় পথচারী নিহত হরিণাকুন্ডুর সোনাতনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ঘাটতির পর বেনাপোল কাস্টমসের নতুন লক্ষ্য ১০,৫৮৮ কোটি

‘নিজের সম্পদ দিয়ে দেন মা দেশের জন্য’

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ৮ আগস্ট, ২০১৬

স্টাফ রিপোর্টার: দেশের জন্য নিজের সম্পদ দিয়ে দিয়েছিলেন আমার মা। আমার মা একটি টাকাও খরচ করতেন না, জমিয়ে রাখতেন। পরে সেসব টাকা বঙ্গবন্ধুর হাতে তুলে দেন। বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক কার্যক্রম, আন্দোলন-সংগ্রাম আর মানুষের কল্যাণে নিজের সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিক্রি করে সেই অর্থ কাজে লাগিয়েছেন ফজিলাতুন্নেছা মুজিব।

১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন এই মহীয়সী নারী।

শেখ হাসিনা জানান, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব নেপথ্যে থেকে বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অনুপ্রেরণা ও সাহস দিয়েছেন। কিন্তু কখনো তিনি সামনে আসতেন না।

ফজিলাতুন্নেছার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, আত্মবিশ্বাসী ও সাহসী ভূমিকার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সংসারের অভাব-অনটন নিয়ে কখনো তাকে কথা বলতে শুনিনি। বরং নিজের সম্পদ দেশের কল্যাণে বিলিয়ে দিয়েছেন। দলীয় লোকজনের বিপদ-আপদে সাহায্য করেছেন।’

শেখ হাসিনা জানান, বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে তিনি ছাত্রনেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। বিভিন্ন সময় কারাগারে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করে তার নির্দেশ অনুযায়ী ছাত্রনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করতেন, পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দিতেন। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ ছিল তার। ঢাকা শহরের কোথায় কী ঘটত, সব খবর রাখতেন তিনি। আওয়ামী লীগের অনেক নেতা বিরক্ত হলেও তিনি ছয় দফা থেকে একচুলও নড়েননি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু স্লোগান ঠিক করা থেকে শুরু করে সবনির্দেশনা দিয়ে দিতেন। তিনি (ফজিলাতুন্নেছা) সেই অনুযায়ী ছাত্রনেতাদের পরামর্শ ও নির্দেশ দিতেন। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, অসহযোগ আন্দোলনসহ সব সময়ই তাকে খুবই আত্মবিশ্বাসী ও সাহসী দেখেছি। তাকে কখনো ভেঙে পড়তে দেখিনি। তিনিই মনে হয় প্রথম জানতেন দেশ স্বাধীন হবেই।’

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ফজিলাতুন্নেছা মুজিবও কিছু বিপথগামী সেনাসদস্যের হাতে নির্মমভাবে নিহত হন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..