রাজিব শর্মা, চট্টগ্রামঃ চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর এলাকায় রেলওয়ের ক’জন কর্মকর্তা বিল্ডিং নির্মানে বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু করেছে। এই নিয়ে এলাকায় শুরু হয়েছে নানা কানাঘুষা। ইতোমধ্যে তারা ফাইলিং এর কাজ শেষে করে নির্মান কাজ শুরু করেছে। এজন্য রাস্তায় ভয়ঙ্কর উচু গতি নিয়ন্ত্রক তৈরী করে। যাতে বেশ কয়েকটি দূঘটনাও ঘটে। তাদের অপরিকল্পিত নির্মান কাজের কারনে পার্শ্ববর্তী বিল্ডিংগুলিতে ফাটল সৃষ্টি হচ্ছে বলে এলাকাবাসী দাবী করেন।
সুত্র জানান, চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানার মধ্যম রামপুর বউ বাজার এলাকায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের দাতব্য চিকিৎসালয়ের পশ্চিম পাশে খাজা হোটেল সংলগ্ন একটি খালি জায়গায় রেলওয়ের কর্মকর্তা আমির হোসেন, আবদুর রহিম ও সাইফুল ইসলামসহ ক’জন কর্মকর্তা মিলে জমি কিনে বিল্ডিং নির্মান করছে। তাদের আরও বেশ কয়েকটি বিল্ডিং রয়েছে নগরীর বিভিন্ন এলাকায়। তারা ইতিমধ্যে ফাইলিংয়ের কাজও শেষ করে বিল্ডিং নির্মান কাজ শুরু করেছে। দ্রুত বিল্ডিং নির্মানের কাজ দেখে এলাকার লোকজনদের নানা মন্তব্য করতেও দেখা গেছে। তারা বলেছেন, রেল কর্মকর্তা বলে কথা। পয়সা থাকলে সব কিছু করা যায়। এধরনের বিল্ডিং নির্মান নতুন নয়। তারা নগরীর বিভিন্ন জায়গায় আরও বিল্ডিং নির্মান করে নানা জনের কাছে ভাড়া দিয়েছে। তারা সিন্ডিকেট করে এসব বিল্ডিং নির্মান করছে। টাকার উৎস কোথায় তাও খতিয়ে দেখতে বলেছেন স্থানীয়রা। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কে বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত করার অনুরোধ জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এছাড়া দ্রুত ফাইলিং এর কারনে পাশের কয়েকটি বিল্ডিংয়ে ফাটল ধরেছে বলে অভিযোগও পাওয়া গেছে।
স্থানীয় নাছির নামে এক ব্যক্তি জানান, প্রথমে বিল্ডিটি কারা নির্মান করছে জানা না গেলেও পরে জানা যায় এটি রেলের ক’জন ধনাঢ্য কর্মকর্তার কাজ। রেল কর্মকর্তারা লোপাটের টাকা হাতিয়ে নিয়ে নগরীর বিভিন্ন জায়গায় সেন্ডিকেট করে জায়গা কিনে বিল্ডিং নির্মান করছে। তাদের বিশাল অংকের টাকা ব্যয়ে বিল্ডিং নির্মানের বিষয়টি দুদকের খতিয়ে দেখা উচিৎ বলে তারা মনে করেন।
জাহেদ ও খোরশেদ নামে দুই যুবক বলেন, রেলের কর্মকর্তরা বউ বাজার এলাকায় বিশাল অংকের জমি কিনে সুউচ্চু ভবন নির্মান করতে কাজ শুরু করেছে। এসব সরকারী কর্মকর্তার টাকার উৎস নিয়েও তারা প্রশ্ন তুলেছেন।
দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক) চট্টগ্রামের পরিচালক আবু সাইয়েদ বলেছেন, রেলের কতিপয় কর্মকর্তা হালিশহর থানার বউ বাজার এলাকায় ভবন নির্মান করছে বলে শুনেছি। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখব।




