× Banner
সর্বশেষ
শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী,দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে দুই লক্ষাধিক টাকার চেক বিতরণ শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদৎবার্ষিকী অনুষ্ঠিত তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরের জামিন বাতিল, আত্মসমর্পণের নির্দেশ লিবিয়ায় মাফিয়ার নির্যাতনে মাদারীপুরের যুবকের মৃত্যু পাইকগাছায় ছাত্র ও দরিদ্র মানুষের মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও ভ্যান বিতরণ মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহর কমান্ডারের বাংলাদেশ সফর শেষ ভারতীয় হাইক‌মিশনা‌রের স‌ঙ্গে আইএবিডির প্রতি‌নি‌ধিদ‌লের সাক্ষাৎ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের জবাব চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ১১ দলের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কা‌ছে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির পরিচয়পত্র পেশ

কূটনৈতিক রিপোর্টার

গলে যাচ্ছে পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকার বরফের স্তূপ, ভয়াবহ সমস্যার মুখে পড়তে পারে সভ্যতা

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৩
গলে যাচ্ছে পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকার বরফের স্তূপ,

সমুদ্র গবেষক কেইটলিন নটেন গবেষণাপত্রে লিখেছেন, ‘আমাদের গবেষণা একটি প্রশ্নকে সামনে রেখে এগিয়েছে। বরফ গলাকে কি কোনোভাবে আটকানো যায়? আদৌ কি তা সম্ভব?’ তিনি জানিয়েছেন, তাদের গবেষণায় যে তথ্য উঠে এসেছে তা খুব সুখকর নয়। পৃথিবীর সার্বিক তাপমাত্রা ইতিমধ্যে যতটা বেড়েছে, তাতে আর চেষ্টা করেও বরফ গলা বন্ধ করা সম্ভব নয়। তাদের গবেষণা বলছে, পুরো বরফ গলতে হয়তো একটা গোটা শতাব্দী লেগে যাবে, যার জেরে সমুদ্রে পানির স্তর অন্তত ছয় ফুট বেড়ে যাবে।

যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞানীদের একটি দল দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকার বরফের চাঁই নিয়ে কাজ করছে। সম্প্রতি তারা জানিয়েছে, যে বিপুল পরিমাণ বরফ সেখানে জমে ছিল, তা ক্রমেই গলতে শুরু করেছে। চলতি শতাব্দীর শেষ পর্যন্ত তা গলতে থাকবে। যার জেরে সমুদ্রে পানির উচ্চতা ক্রমেই বাড়বে। তবে আগামী কয়েক দশকে বরফ গলার পরিমাণ ক্রমেই বাড়বে। ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠ ক্রমেই ফুলতে শুরু করবে। ফলে আগামী কয়েক দশকের মধ্যেই সভ্যতা সংকটের মুখে পড়বে।

যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞানীদের এই দলটি প্রথম অত্যাধুনিক কম্পিউটারের সাহায্যে সাম্প্রতিক পরীক্ষাটি করেছে। তারা বরফের চাদরের নিচে গিয়ে সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা পরীক্ষা করেছে। সমুদ্রের পানি থেকে কত পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসৃত হচ্ছে, তা-ও পরীক্ষা করে দেখেছে তারা। জানা গেছে, সার্বিকভাবে তাপমাত্রা বাড়ছে। যদি তার গতি কমানোও সম্ভব হয়, পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি কমানো সম্ভব হবে না। ফলে গলতে গলতে বরফের চাদরটি একসময় ভেঙে পড়বে। তখনই ভয়াবহ এক সমস্যার মুখে পড়বে সভ্যতা। ২০০৯ সালে বিজ্ঞানীরা প্রথম জানিয়েছিলেন, পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকার বরফের চাদর ক্রমেই গলতে শুরু করেছে। তবে সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞানীরা যে গবেষণা করেছেন, এত আধুনিক যন্ত্র এর আগে ওই অঞ্চলে ব্যবহৃত হয়নি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..