এক গালে থাপ্পড় খাওয়া কান্ডজ্ঞানহীন বিলুপ্ত জাতির বিচরনভুমির ভবিষ্যৎ

অভিরাজ, কুটনৈতিক প্রতিবেদকঃ ভারত পারসিদের থাকতে দিল অথচ ওরাই ভারত আক্রমণ করল। মুসলিমদের থাকতে দিল তো ওরাই হিন্দুদের হত্যা করে ভারত শাসন করল। শুধু মাত্র কিছু টাকার লোভে মুসলিমদের হয়ে হিন্দু রাজাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা এই বিশ্বাসঘাতক হিন্দুদের জন্যই ভারত হাজার বছর পরাধীন থেকেছে।
সত্যি হিন্দুরা বিচিত্র প্রাণী। ধর্মের ভিত্তিতে ভারত ভাগ ভুলে গেছে।  দলিত নেতা যোগেন মন্ডল পূর্ব পাকিস্তান (বাংলাদেশ) ভাগের পক্ষে ছিল। আর ওনাকে সাধারণ হিন্দুরা বিশ্বাস করে পূর্ব পাকিস্তান পক্ষে সায় দিয়েছিল। কিন্তু মুসলিমদের অত্যাচারে যোগেন মন্ডল ভারতে পালিয়ে আসতে পারলেও চলে আসতে পারেনি ওই সাধারণ গরীব খেটে খাওয়া হিন্দু গুলো। যারা যোগেনকে বিশ্বাস করে পূর্ব পাকিস্থান হবার পক্ষে ছিল। আজ বাংলাদেশে তারা অত্যাচারিত হয়ে ভারতে পালিয়ে আসে। রোজ কোথাও না কোথাও মন্দির প্রতিমা ভাঙ্গা হয় যার কোন দৃষ্টান্তমুলক বিচার হয়েছে বলে আমরা শুনিনি। নাসির নগরে পরিকল্পিত হামলার চার্জশীট ৩ বছরেও জমা দেয়নি সরকার বিচার তো পরের কথা। বাংলাদেশের হিন্দুরা কতটা সুখে আছে তা যদি জানতে চান তাহলে ভারতে পালিয়ে আসা কোনো হিন্দুকে অথবা ফেইসবুকে ফ্রেন্ডলিষ্টে  থাকা বাংলাদেশী হিন্দুদের জিজ্ঞাসা করুন। মিশ্র প্রতিক্রিয়া দূর হয়ে জল আর দুধ আলাদা হয়ে যাবে।
যেই দেশে একটা ধর্মের মানুষ বেশি সেই দেশই অনায়াসেই নিজেকে খ্রীষ্টান, বৌদ্ধ, মুসলিম ধর্মীয় রাষ্ট্র ঘোষনা করে তা নিয়ে কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই। যত মাথা ব্যাথা আরম্ভ হয় ভারতের বেলায়। তাদের দেশ ধর্মীয় রাষ্ট্র হলে ঠিক আছে কিন্তু ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র হতে দেওয়া যাবেনা। তাহলেই সারা বিশ্বে গেল গেল রব উঠে যায়। যেন হিন্দু রাষ্ট্র হলেই ভারত অন্য ধর্মের মানুষকে দেশ থেকে তাড়িয়ে দিবে। কথায় বলে চোরের মন পুলিশ পুলিশ। যারা নিজেদের দেশের সংখ্যালঘুদের অত্যাচার করে দেশ থেকে চলে যেতে বাধ্য করে তারাই হিন্দুরাষ্ট্র নাম শুনলে ভয়ে আতঙ্কে কেপে উঠছে।
পাকিস্তান, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, একসময় বৃহত্তম ভারতের অংশ ছিল। দেশ ভাগ হবার পর সেই দেশ গুলো মুসলিম রাষ্ট্র হয়ে গেল কিন্তু ভারত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র থেকে গেল। কতবড় মূর্খ এই হিন্দু জাতি। জবাই দেয়া ছাগলের মত এরা দাঁড়িয়ে দেখে কিভাবে পাশেরটাকে জবাই দেয়া হচ্ছে। একটু পরে যে তার গলায় ছুরি বসতে চলেছে তা নিয়ে তাদের কোন মাথাব্যথা নেই। কতটা ঘৃনিত জাতি হলে এরা দেশ ভাগের জন্য যারা দায়ী তাদের পক্ষে ভোট দিতে পারে। হিন্দুরাই বুক ফুলিয়ে বলে জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী যার মানে মা এবং মাতৃভূমি স্বর্গের চেয়েও বড় এরাই আবার দেশ ভাগের জন্য যাদের অবদান সবচেয়ে বেশি তাদেরকেই জাতির পিতা ঘোষনা করেছে।
যখন দেশ ভাগের নাম উঠলো তখন মহাত্মা গান্ধী বলল ভারত মাতার অঙ্গঃচ্ছেদ হলে তা হবে আমার মৃত লাশের উপর দিয়ে। কিন্তু যখন পরিকল্পিত ভাবে গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং নোয়াখালী দাঙ্গা লাগানো হল তখন মহাত্মা গান্ধী বলল যে আমার এক গালে থাপ্পড় দিবে আমি তাকে অন্য গাল এগিয়ে দেব। আমরা হিংসায় যাবনা আপোসেই সব মেটাবো। এখন প্রশ্ন উঠলো ধরুন হিন্দুরা এই নেতার কথা মেনে নিলো। এখন কেউ যদি এসে আপনার বোন কিংবা মেয়েকে ধর্ষন করে চোখের সামনে তখন আপনার কি করা উচিৎ? মহাত্মা গান্ধীর বয়ান অনুযায়ী আপনার বাড়ির অন্য আরেকজনকে মেয়েকে ধর্ষকের কাছে এগিয়ে দিয়ে বলবেন যে বাবা’ তুমি অনেক কষ্ট করে আমার এক মেয়েকে ধর্ষন করেছো এবার আমার এই মেয়েকে ধর্ষন করো কিন্তু তোমরা কোন ঝামেলা করোনা আমরা শান্তি চাই অশান্তি চাইনা। ধর্ষন শেষ হলে তোমরা এখান থেকে আর কি চাও জানিও আমরা সেগুলো দিতে প্রস্তুত কিন্তু অশান্তি চাইনা।
শান্তি স্থাপনের নাম করে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতক দেশকে ভাগ করে দিতে দুবার ভাবলোনা। প্রধানমন্ত্রী হবার আশায় তারা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, শ্যামা প্রসাধ মুখার্জি, ভগবত সিং, বালক খুদিরাম, মাষ্টার দা সূর্যসেন কে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলে দিলো। নিজেকে জাতির পিতা হিসেবে ঘোষনা করা এই মহান নেতাকে দেশের ৭০% লোকই ঘৃনার চোখে দেখে।
ইতিহাস বলে হিন্দুরা সাদাসিধে হবার কারনে যুগ যুগ ধরে মানুষকে আশ্রয় দিয়ে এসেছে কখনো তাড়িয়ে দেয়নি কিংবা অন্যের দেশে হামলা কিংবা দখল করেনি। আর এই দূর্বলতার সুযোগে যুগ যুগ ধরে আরব, তুর্কি, ব্রিটিশ, তৈমুর লং, মোহাম্মদ ঘোরি, বাবর, আফগান, মুঘলরা ভারতের উপর ক্রমাগত আক্রমন, হত্যা, লুটপাট, মন্দির ভাঙ্গা কার্যক্রম চালিয়ে গিয়েছে। কোটি কোটি হিন্দুদেরহত্যা করেছে, হিন্দুদের রক্ত সংগ্রহ করে তার সাথে চুন সুরকি মিশিয়ে তাদের নাম করা উপসনালয় বানানোর নজির রয়েছে ইতিহাসে।
জোর করে হাজার হাজার নারীদের তুলে নিয়ে যৌন দাসী বানিয়েছে, পুরুষদের নিয়ে বানিয়েছে দাস। আই এস জঙ্গিরা যা এখনো করে যাচ্ছে এটাই তাদের ইতিহাস আর ঐতিহ্য। অন্যের দেশ লুট করা অন্যের দেশ দখল করা। জোর করে ধর্মান্তর করার ইতিহাস কম নেই। শিখদের সপ্তম গুরু তোগ বাহাদুরকে জোর করে ধর্মান্তর করতে বাধ্য করলে তিনি বলেছিলেন জীবন যায় যাবে আমি ইসলাম ধর্ম স্বীকার করবোনা। বেচারা তোগ বাহাদুরকে ফুটন্ত জলে সিদ্ধ করে মারা হল। এরকম নৃসংসতা ইতিহাসে দ্বিতীয়টি নেই। হাজার হাজার মানুষ প্রানের ভয়ে অন্য ধর্ম গ্রহন করতে বাধ্য হল। যারা করলোনা তাদের স্থান হল তরবারির নিচেকাফের বিধর্মীদের হত্যা করে গাজী উপাধি পাওয়া সেই মহান বংশধরেরা আজও তাদের পূর্বপুরুষের স্মৃতি উস্কে গর্ববোধ করে।
মুঘলদের সাথে রাজপুত রাজাদের কন্যাকে বিয়ে দিতে বাধ্য করেছে এই মুঘলরা। যদি বিয়েতে রাজি না হয় তাহলে জোর করে সেই রাজকন্যাকে তুলে নিয়ে আসার ইতিহাস কম নেই। ১২ বছর বয়সী রাজকন্যা, ৮ বছর বয়সী রাজকন্যাকে তুলে নিয়ে এসে নিজেদের হেরেমে রেখে কয়েক বছর পরে নিজেদের ছেলের সাথে বিয়ে দেয়ার ঘটনা তুযুক ই বাবর, তুযুক ই হুমায়ুন, আইন ই আকবরি নামক তাদের নিজেদের লেখা গ্রন্থে লিখে তারা মহান এই কাজের জন্য গর্বিত বোধ করেছেন।
সতীদাহ প্রথার উৎপত্তি যেভাবে হল সেই ইতিহাস শুনলে গা ঘিন ঘিন করবে আপনারও শুনুন সেই ইতিহাস। মুহম্মদ বিন কাশিম ভারতবর্ষে প্রথম ৭১২ সালে  মুসলিম আক্রমণ করে। শুরু হয় ভারত বর্ষের কলঙ্কের অধ্যায়। তার সঙ্গে যুদ্ধে রাজা দাহির পরাজিত হলে ৭১২ খৃষ্টাব্দের ১৭ জুন দাহিরের দুই স্ত্রী সূর্যদেবী ও পরমল দেবী কাশিমের হাতে বন্দী হন। বন্দী অবস্থায় তারা সংবাদ পান যে, মুসলমানরা নারীদের যুদ্ধবন্ধীর মর্যাদা দেয় না বরং তারা নারীদের স্বর্বসম্মুখে উলঙ্গ করে নানাভাবে লাঞ্ছিত অপমানিত করে ধর্ষণ করে।
তখন তারা বিষপানে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন। এমন সময় একজন সৈনিক খবর দেন মুসলমানরা মৃতদেহকেও ধর্ষন করে। ধর্ম ও আত্মসম্মান রক্ষার্থে অতপর তারা সিদ্ধান্ত নেন যে, স্বামীর সৎকার করার অনুমতি নিয়ে স্বামীর চিতায় আত্মহূতি দিবেন এবং সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অগ্নিতে আত্মহূতি দেন। সেই ঘটনার পর হতে ভারতের হিন্দু নারীগন মুসলমানদের স্পর্শ হতে রক্ষা পেতে জহরব্রত বা স্বামীর চিতায় আত্মহূতি দিয়ে সতীত্ব , ধর্ম ও আত্মসম্মান রক্ষা করতে থাকেন।
এরপর হতে সতীত্ব রক্ষার এই প্রথার নাম হয়ে দাড়ায় সতীদাহ প্রথাসম্রাট আলাউদ্দিন রাজপুত রানা রতন সিংহের স্ত্রী পদ্মাবতীকে হস্তগত করতে গেলে রাজপুত সৈন্যরা বাধা দেয়। অতপর যুদ্ধ করতে করতে সকল পুরুষ মারা যাবার পর দূর্গের অভ্যন্তরে থাকা ১৪হাজার নারী সহ রানী পদ্মাবতী জহরব্রত উৎসব পালনের মাধ্যমে সেচ্ছায় আগুনে ঝাপ দিয়ে মুসলমানদের হাত হতে রক্ষা পান। ১৪ হাজার রমনীর এই আত্মত্যাগের ইতিহাস ভারত বর্ষের রমনীরা আজও সম্মানের সাথে স্মরণ করলেও সত্যিটা থেকে গেল সেকুলার কংগ্রেসের মিথ্যা ইতিহাসের আড়ালে।
রাজপুত দের যুদ্ধে হারিয়ে তাদের সমস্ত স্ত্রী কন্যাদের জোর করে যৌনদাসী বানানো, বিবাহ করা এটা ছিল তাদের বিজয়ের ফুর্তি পালনের একটা অংশ। বাবরের আমলেও ১৫০ জনের মতো রাজপুত স্ত্রী, রাজকন্যা, দাসীরা এক সাথে আগুনে আত্মাহুতি দিয়েছিল। তারা মৃত্যুর আগে জানিয়েছিল যদি আমাদের রাজারা এই যুদ্ধে হেরে যায় তাহলে সবাই আগুনে ঝাপ দিয়ে জীবন বিসর্জন দিবো কিন্তু ওই যবনদের নোংরা হাতে আমাদের স্পর্শ করতে দিবোনা। যুদ্ধে রাজপুতরা হেরে গেলে সবাই এক সঙ্গে বিশাল অগ্নিকুন্ডে ঝাপ দিয়ে আত্মাহুতি দেয়। কত বড় ত্যাগ এই মহিলাদের। সেই ঘটনার পর তাদের দেখাদেখি অনেক মহিলারাই পরবর্তীতে স্বামী মারা যাওয়ায় আআত্মাহুতি দিয়েছে। মুসলিম আক্রমনের সময় অন্যপুরুষের ছোয়া থেকে নিজেকে বাঁচাতে অনেকেই সেচ্ছায় আগুনে ঝাপিয়ে পড়েছে যা পরবর্তীতে একটা জঘন্যতম প্রথা হয়ে দাঁড়ায়।
সময় বদলেছে হিন্দু যুবকেরা জেগেছে। ভারত ভাগের যে যন্ত্রনা ভারত এতোদিন বয়ে বেড়িয়েছে তা হয়তো কখনো পূরন হবেনা তবে ঘৃণ্য রাজনৈতিক নেতাদের আগামীতে মানুষ তার উপযুক্ত জায়গা ঠিক করে দিবে। আজ দাবী একটাই যেসব দেশ হিন্দুরাষ্ট্রের বিরোধিতা করবে তারা আগে তাদের সংবিধান থেকে ধর্ম পরিবর্তন করে নিক আর যদি তা না পারে তাহলে ভারতের হিন্দুরাষ্ট্র হবে কি হবেনা তাই নিয়ে কোন কথা বলার অধিকার ঐ সব রাষ্ট্রের নেই।
এক গালে ক্রমাগত থাপ্পড় খাওয়া বিলুপ্ত প্রায় কান্ডজ্ঞানহীন জাতির যদি হুশ না আসে কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে না ভাবে তাহলে খুব শ্রীঘ্রই এরা ডায়নোসরের মত এরা বিলুপ্ত হয়ে যাবে তাতে সন্দেহ নেই। সেকুলারি বাদ দিয়ে দেশ, ধর্ম, জাতি রক্ষায় সবাই কি এক সাথে হাত ধরে বলতে পারিনা, যে কোন কিছুর বিনিময়েই হোক  হিন্দু রাষ্ট্র  আমাদের বানাতেই হবে। আজ বলার সময় এসেছে দিব্যজ্ঞান নয় আমাদের কান্ডজ্ঞান চাই। সেকুলার নয় আমাদের হিন্দুত্ববাদী, জাতীয়তাবাদী নেতা চাই।
মুসলিমরা কখনও ৫৭ টা মুসলিম রাষ্ট্রকে  ধর্মনিরপেক্ষ দেশ হতে বলবেনা। আজ ৫৭ টা মুসলিম দেশ মিলে সংগঠন বানিয়ে অমুসলিমদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে, ভারতের সিএএ বিলের বিরোধিতা করছে। ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র বললে এসব দেশ ধর্মনিরপেক্ষতার দোহাই দেয়।
আজ ভাবুন এই দেশ ভাগ কেন হয়েছে? মহাভারতে একসময় একটাই ধর্ম ছিল, কেন ভারতের একটা একটা অংশ আজ  বিলিন হয়ে যাচ্ছে ?  আপনার সন্তানের জন্য একটা নিরাপদ রাষ্ট্র রেখে যেতে চান কিনা ? হিন্দুদের আগামী ভবিষ্যতে কি হতে চলেছে? আর কত টূকরায় বিভক্ত হলে এই ঘুমন্ত হিন্দুদের ঘুম ভাংবে ? ভাবুন এবার হিন্দুদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য একটা হিন্দুরাষ্ট্র জরুরি নয় কি?
ট্যাগ ১২ বছর বয়সী রাজকন্যা১৪হাজার নারী৫৭ টা মুসলিম দেশঅগ্নিকুন্ডে ঝাপঅনেক কষ্ট করে আমার এক মেয়েকে ধর্ষন করেছোঅস্তিত্ব রক্ষাআইন ই আকবরিআতঙ্কে কেপেআত্মত্যাগের ইতিহাসআত্মসম্মান রক্ষার্থেআত্মাহুতিআফগানআফগানিস্তানআরবইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতকএক গালে থাপ্পড়কতটা সুখেকতবড় মূর্খ এই হিন্দু জাতিকলঙ্কের অধ্যায়কান্ডজ্ঞানহীন ঘুমন্ত জাতিক্রমাগত থাপ্পড়খ্রীষ্টানগেল গেল রবগ্রেট ক্যালকাটা কিলিংচোরের মন পুলিশ পুলিশজঘন্যতম প্রথাজননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সীজহরব্রতজহরব্রত উৎসবজাতি রক্ষাজাতীয়তাবাদীডায়নোসরডায়নোসরের মততুযুক ই বাবরতুযুক ই হুমায়ুনতুর্কিতৈমুর লংদাসীরাদিবযজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান চাইদিব্যজ্ঞান নয়দৃষ্টান্তমুলকদেশদেশ ভাগের জন্য যাদের অবদানধর্মধর্ম ও আত্মসম্মানধর্মনিরপেক্ষতারধর্মের ভিত্তিতে ভারত ভাগধর্ষননাসির নগরনিরাপদ রাষ্ট্রনেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুনোয়াখালী দাঙ্গাপদ্মাবতীপাকিস্তানপালিয়েপূর্ব পাকিস্থান হবার পক্ষেফুর্তি পালনফ্রেন্ডলিষ্টেবাবরবালক খুদিরামবাংলাদেশবিলুপ্ত প্রায়বিশ্বাসবিশ্বাসঘাতক হিন্দুবিষপানে আত্মহত্যাবৃহত্তম ভারতবৌদ্ধব্রিটিশভগবত সিংভবিষ্যতেভারত আক্রমণভারত ভাগের যন্ত্রনাভারত মাতার অঙ্গঃচ্ছেদভারত শাসনভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র হতে দেওয়া যাবেনামন্দির ভাঙ্গামা এবং মাতৃভূমি স্বর্গের চেয়েও বড়মাথা ব্যাথামাষ্টার দা সূর্যসেনমিথ্যা ইতিহাসেমুঘলরা ভারতের উপর ক্রমাগত আক্রমনমুসলমানদের স্পর্শমুসলিম আক্রমণমুসলিম ধর্মীয় রাষ্ট্রমুহম্মদ বিন কাশিমমৃতদেহকেও ধর্ষনমোহাম্মদ ঘোরিযবনদের নোংরা হাতেযোগেন মন্ডলযৌনদাসীরাজকন্যারাজপুতরাজপুত স্ত্রীরাজা দাহিরলাঞ্ছিত অপমানিতলুটপাটশ্যামা প্রসাধ মুখার্জিসতিত্বসতীত্বসতীত্ব রক্ষাসতীদাহ প্রথাসম্রাট আলাউদ্দিনসেকুলার কংগ্রেসেসেচ্ছায় আগুনেস্বর্বসম্মুখে উলঙ্গস্বামীর চিতায় আত্মহূতিস্বামীর সৎকারহত্যাহিন্দু নারীগনহিন্দুত্ববাদীহিন্দুদের ঘুমহিন্দুরা বিচিত্র প্রাণীহিন্দুরা সাদাসিধেহিন্দুরাষ্ট্রের বিরোধিতা

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Ovi Pandey
লেখক / প্রতিবেদক

Ovi Pandey

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।