কাগজে কলমেই থাকবে সরকার বেঁধে দেয়া ডিমের দাম

কাগজে কলমেই থাকবে সরকার বেঁধে দেয়া ডিমের দাম

সরকার  ফিড বাচ্চার দাম নির্ধারণ না করে ডিমের দাম নির্ধারণ করায় । সরকার উৎপাদন খরচ বের করলো সাড়ে ১০টাকা খামারে বিক্রয় মূল্য ঠিক করলো সাড়ে ১০টাকা উৎপাদক কি জনগণের সেবা করবে সামনে সংকট আরো বড় হবে।  বাজার  নিয়ে তোপের মুখে পরবে। বেঁধে দেয়া দাম কাগজে কলমে থাকবে  সুফল পাবে না জনগণ

ডিম মুরগির বাজারে স্বস্তি পেতে পোল্ট্রি ফিড ও মুরগির বাচ্চার দাম নির্ধারণ করে উৎপাদন খরচ কে স্থির করতে হবে তাহলে ডিমের দাম নির্ধারণ করা  হলে বাজারে স্বস্তি ফিরে আসবে । ডিমের দাম নির্ধারণ করবেন আর কর্পোরেট গ্রুপ গুলো ফিড বাচ্চার দাম ইচ্ছে মতবাড়িয়ে দিয়ে প্রান্তিক খামারিদের উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দিয়ে লসে ফেলে দিচ্ছে । সরকারের চাপে পরে প্রান্তিক খামারিদের ডিম ও মুরগি  কম দামে বিক্রয় করতে হচ্ছে । কৃষি আইনে বলা আছে উৎপাদক ৩০% লাভ করতে পারবে কিন্তু কর্পোরেট গ্রুপ গুলো ডিম মুরগিতে ৬০% পোল্ট্রি  ফিডে ৫০% মুরগির বাচ্চায় ১০০% থেকে ১৫০% পর্যন্ত লাভ  করে অন্য দিকে প্রান্তিক খামারি সব সময় লস করে বিক্রয় করতে হয় । 

সরকার কর্পোরেটদের কাছে কেন ফিড ও মুরগির বাচ্চার  উৎপাদন খরচ জানতে চাচ্ছে না । ফিড মিল ও হ্যাচারি গুলোতে অভিযান করে পোল্ট্রি ফিড ও মুরগির বাচ্চার দাম নির্ধারণ না করে খুচরা বাজারে অভিজান করলে কোন সুফল আসবে না বাজারে অস্থিরতা বারবে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে ।যেখানে অভিযান করার প্রয়জন সেখানে সরকার যাচ্ছেন না বড় বড় রাগব বোয়ালদের কাছে সরকার মনে হয়  জিম্বী। তবে প্রান্তিক পোল্ট্রি খামারিদের পোল্ট্রি ফিডের দাম কমানো না হলে বাচ্চার দাম বেঁধে না দিলে এই শিল্পে আরো সংকট বেড়ে যাবে । কর্পোরেটদের ডিমের  ক্যাটাগরিভাগ করে বিক্রয় করে বড় মাঝারি ছোট জির সাইজ এ বি সি প্যাকেট জাত করে বেশি দামে বিক্রয় করে ডি ক্যাটাগরি খোলা বাজারে আসে আর প্রান্তিক খামারিদের ডিমের কোন ক্যাটাগরি হয় না সব ডিম্ খোলা বাজারে।  নিচে তথ্য তুলে ধরা হলঃ

কর্পোরেটদের ডিমের উৎপাদন খরচ  ৯-৫০টাকা বিক্রয় হিসাব           কার স্বার্থে ডিমের দাম নির্ধারণ করা হল

 . . . . . . . .  এ গ্রেট ১২পিস 265 টাকা ,                                         প্রান্তিক খামারিদের ১পিচ ডিমের উৎপাদন খরচ ১০.৭৯

 . . . . . . . .  বি গ্রেট ১২পিচ ১৯৫ টাকা                                                     ১০.৭৯  ×১২ পিচ =১২৯.৫০ টাকা

 . . . . .  .   . সি গ্রেট ১২পিচ ১৮০ টাকা                      সরকার প্রান্তিক খামারিদের ডিমের দাম নির্ধারণ করে দিলো ১২৬টাকা

 . . . . . . . .  ডি গ্রেট ১২পিচ ১২৬টাকা                             প্রান্তিক উদ্দেক্তা লাভ করবে ০%  লস করবে ৩%[কেন এই বৈসম্ম্য

মোট ৪ডর্জন ৪৮পিচ ডিমের দাম ৭৬৬টাকা                       [খামারিদের উৎপাদিত ডিম কোন প্রকার বাছাই করা হয়না

সরকারের বেঁধে দেয়া দাম ১২৬ টাকা সকলের জন্য           [খামারিদের উৎপাদন খরচ বেশি আর বিক্রয় করবে কম দামে

কর্পোরেটদের ডিমের দাম গড়ে ১ডর্জন ডিমের দাম হয়                             [সংকট আরো বেড়ে যাবে   

   গড়ে দাম . . ১৯১.৫০টাকা

১পিচ ডিমের দাম হয় ১৬টাকা

কর্পোরেট গ্রুপ গুলো ডিম মুরগিতে ৬০% লাভ করবে

প্রানিসম্পদ থেকে কর্পোরেটদের ডিমের উৎপাদন খরচ বেড় করা হয়েছে ১০.৫০ টাকা কিন্তু তাদের উৎপাদন খরচ ১০ টাকার কম কারন ফিড ও বাচ্চা  তাদের নিজেদের কোম্পানির ।        

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Dutta
লেখক / প্রতিবেদক

Dutta

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।