× Banner
সর্বশেষ
৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত উত্তর ইরাকের খোর মোর গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলার দাবি আজ ১১ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ (১১ শ্রাবণ)  ২৮ জুলাই মঙ্গলবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সরকার শুধু স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নয়, সার্বিক উন্নয়নে বদ্ধপরিকর – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণে বুথ ভাড়া মওকুফ করা হবে – বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী শ্যামনগরে দুই ক্লিনিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা আগস্টে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘আবাসন মেলা’

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকার শিক্ষাকে আর খরচের খাত হিসেবে দেখবে না – শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

ACP
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
সরকার শিক্ষাকে আর খরচের খাত হিসেবে দেখবে না - শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, সরকার শিক্ষাকে আর খরচের খাত হিসেবে দেখবে না। শিক্ষা হবে রাষ্ট্রের প্রথম বিনিয়োগ, মানবসম্পদের মূল কারখানা এবং জাতি-গঠনের প্রধান প্রকল্প।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি৷

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই জানি, শিক্ষা ব্যবস্থার প্রথম শর্ত অর্থায়ন। গত বছরগুলোতে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ মোট বাজেটের প্রায় ১২ শতাংশের আশেপাশে থেকেছে এবং জিডিপির অনুপাতে তা দেড়-দুই শতাংশের কাছাকাছি ঘোরাফেরা করেছে, এটা একটি কাঠামোগত সীমা। কিন্তু আমাদের সরকারের-বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নীতিগত অবস্থান পরিষ্কার, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়া- এটা আমাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার। আর আন্তর্জাতিক মানদণ্ডও বলে, শিক্ষা খাতে জিডিপির ৪-৬ শতাংশ এবং মোট সরকারি ব্যয়ের ১৫-২০ শতাংশ এই লক্ষ্যগুলো অর্জন করতে হবে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, উন্নয়ন বাজেটের বাস্তবায়ন শেষ ত্রৈমাসিকের হুড়োহুড়ি বন্ধ করতেই হবে। শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না খরচের গুণগত মান বদলাতে হবে। আমরা স্বীকার করছি- উন্নয়ন বাজেটের একটা বড় অংশ বছরের শেষে হঠাৎ খরচ হয়- এর ফলে বই, নির্মাণকাজ, প্রশিক্ষণ-সবকিছুই।

তিনি বলেন, সরকার উন্নয়ন ব্যয়কে আবার অগ্রাধিকার দেবে। শিক্ষক প্রশিক্ষণ, প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, বিজ্ঞানাগার, গ্রন্থাগার, ভাষা ল্যাব, ডিজিটাল কনটেন্ট ও মূল্যায়ন সক্ষমতা, স্কুল অবকাঠামো-বিশেষ করে পানি, স্যানিটেশন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে৷

তিনি আরও বলেন, আমরা ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব পদ্ধতিতে যেতে চাই। আমাদের ইশতেহারে আছে ফ্রি ওয়াই-ফাই, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব। ফলে আমরা এটাকে গ্যাজেট প্রজেক্ট বানাবো না। আমরা এটাকে বানাবো শিক্ষণ-শেখার অপারেটিং সিস্টেম।

তিনি আরও বলেন, আমরা বাংলা এবং ইংরেজির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের তৃতীয় আরেকটি ভাষা শেখাতে চাই। আন্তর্জাতিক চাহিদা ও শ্রমবাজারে সহায়ক হবে এমন একটি ভাষা আমরা নির্বাচন করবো। আমাদের স্কুলগুলোকে বানাতে হবে ইনোভেশন স্পেস। আমরা মাধ্যমিক থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করতে চাই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশমত আমাদের লক্ষ্যে হবে শুধু সনদ নয় বরং সক্ষমতা থাকবে৷


এ ক্যটাগরির আরো খবর..