× Banner
সর্বশেষ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, ভোটার তালিকার অপেক্ষায় ইসি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সম্পূর্ণ প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন – সিইসি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন চ্যালেঞ্জ করে রিট খারিজ বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা সহজ করল চীনা দূতাবাস মোদির ফেসবুক ভিডিও ব্লক করে মেটা বললো, ‘কারিগরি ত্রুটি’ আনুষ্ঠানিক ভাবে বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ; স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করতে সংসদে প্রধান নির্বাচন কমিশনার দেশজুড়ে অপরাধ দমনে অভিযান জোরদার দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে পতন ৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

সমবায় কর্মকর্তা নুরোল ইসলামের বদলীর পরও অফিস না ছাড়ার রহস্য কী?

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৫

যশোর প্রতিনিধি: যশোর সমবায় অফিসের সাবেক কর্মকর্তা নুরোল ইসলাম। নানা অনিয়মের অভিযোগে তাকে নড়াইলে বদলী করা হয়েছে। কিন্তু তারপরও অফিস ফাঁকি দিয়ে সপ্তাহে ৩/৪ দিন সাবেক কর্মস্থল যশোর সমবায় অফিসে অবস্থান করছেন। এছাড়া বদলীর বিষয়টি গোপন রেখে এখানকার বিভিন্ন সমবায়ীদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা হাতিয়ে নিচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, যশোর জেলা সমবায় কর্মকর্তার সাথে গভীর সখ্যতার কারনে তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।

একাধিক সুত্রে জানা গেছে, এক মাস আগে সমবায় পরিদর্শক নুরোল ইসলাম যশোর থেকে বদলী হয়ে নড়াইল জেলা সমবায় অফিসে যোগদান করেন। কর্মক্ষেত্রে নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের জন্য সমবায় অধিদপ্তর থেকে তাকে বদলীর নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু নড়াইলে যোগদান করেও যশোরে থাকছেন । তিনি স্থানীয় সমবায়ীদের এখনো ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। সুত্র বলছে, যশোরে দীর্ঘদিন চাকরির সুবাদে নুরোল ইসলাম ব্যাপক অর্থ কেলেংকারীতে জড়িয়ে পড়েন। সমবায় দফতরের নিবন্ধন দিতে সরকার ফি নেয় ৩০০ টাকা। সাবেক কর্মকতাকে ম্যানেজ করে নুরোল ইসলাম নিবন্ধন দিতে ৫০ হাজার থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ আদায় করেছিলেন। তখন কর্ম এলাকার ব্যাপ্তি অনুযায়ী ঘুষের এ অঙ্ক নির্ধারিত হয়। কর্ম এলাকা তিনটি উপজেলার মধ্যে থাকলে ৫০ হাজার আর এর বেশি কিংবা বিভাগব্যাপি কর্মএলাকা হলে এক থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেন।

এছাড়া আল এহসান শরিয়া ইসলামী মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড , প্রাইম মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড, ফাতিহা ইসলামী মাল্টিপারপাস কো- অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড তরাদরকির নামে নুরোল ইসলাম লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছিলেন। এহসান ইসলামী মাল্টিপারপাস তার দুর অবস্থার জন্য নুরোল ইসলাম দায়ী দাবি করে সমবায় অধিদপ্তরের নিবন্ধক বরারর লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয় যে, জেলা সমবায় অফিস থেকে অডিটের নামে নুরুল তাদের অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যব্স্থা নেয়া হবে না দাবী করে বিভিন্ন সময় নুরোল জেলা সমবায় ও বিভাগীয় সমবায় কর্মকর্তার নামে মোটা অংঙ্কের উৎকোচ নিয়েছেন। এছাড়া তিনি অফিসে দুপুরের খাবার না এনে তাদের কাছ থেকে খেয়েছেন। তার বিরুদ্ধে প্রায় ৬ লাখ টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগ করেছে এহসান ইসলামী মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড। এছাড়া একাধিক সমবায়ীদের অভিযোগে চলতি বছরের ৭ জুন সমবায় অধিদপ্তর থেকে তার বদলীর আদেশ আসে।

তাৎক্ষনিকভাবে খুলনা বিভাগীয় সমবায় কার্যালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক অঞ্জন কুমার সরকার টেলিফোনে আদেশের বিষয়টি জেলা সমবায় অফিসারকে জানিয়ে দেন। কিন্ত ঘটনার প্রায় আড়াই মাস পর চাপে পড়ে নুরোল ইসলাম তার নতুন কর্মস্থান নড়াইলে যোগদান করেন। তিনি নড়াইল জেলা সমবায় অফিসারকে ম্যানেজ করে অফিস ফাঁকি দিয়ে যশোরে অফিসে ঘোরাঘুরি করেন। যশোর জেলা সমবায় কর্মকর্তার সাথে বেশিরভাগ সময় অতিবাহিত করছেন।এছাড়া যশোরের সমবায়ীদের কাছে বদলীর বিষয়টি লুকিয়ে নানা অনিয়ম করে যাচ্ছেন। এতে স্থানীয় সমবায়ীদেও মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হচ্ছে। সুত্র বলছে, নুরোল ইসলাম নড়াইল থেকে পুনরায় যশোর বদলী হয়ে আসার পায়চারা করছেন।

এ ব্যাপারে তিনি খুলনা বিভাগীয় সমবায় কার্যালয়ে দৌঁড়ঝাপ করছেন।এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে নুরোল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। নড়াইল জেলা সমবায় কর্মকর্তা মোমেন হোসেন অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার কওে বলেন,‘ নুরোল ইসলাম নিয়মিত অফিস করছেন।, যশোর জেলা সমবায় কর্মকর্তা এসএম মঞ্জুরুল হক বলেন, ‘নুরোল ইসলাম কোন কাজে যশোর আসলে অফিসে আসেন। সচরাচর অফিসে আসার অভিযোগটি সঠিক নয়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..