রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের মিয়ানমারের হাত!

রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের  মিয়ানমারের হাত!

রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে। আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের (এআরএসপিএইচ) এ শীর্ষ নেতাকে হত্যার পেছনে খোদ মিয়ানমার সরকার জড়িত।

রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘিরে যাদের রয়েছে সদূরপ্রসারী চক্রান্তের রোডম্যাপ। এর পেছনে আন্তর্জাতিক কানেকশনে আরও প্রভাবশালী মহলের বিশেষ যোগসূত্রতাও থাকতে পারে।

তবে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার পরিবর্তে এদের পুঁজি করে নানা ষড়যন্ত্রের ফাঁদ পাতা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চক্রটি তাদের মিশন সফল করতে ইতোমধ্যে সীমান্তের কাছাকাছি ১২টি মোবাইল টাওয়ার বসিয়েছে।

একই সঙ্গে রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে লক্ষাধিক মিয়ানমারের মোবাইল ফোন সিম এমপিটি সরবরাহ করেছে। এসব সিমে কম পয়সায় কথা বলা এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা দিতে নানা রকম অফার ছাড়া হয়েছে।

মিয়ানমারের জান্তা সরকারের এ চক্রান্তের প্রথম অ্যাসাইমেন্ট হিসাবে মুহিবুল্লাহকে হত্যা করা হয়েছে। আর এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছে মিয়ানমার সরকারের হয়ে গোপনে সক্রিয় থাকা রোহিঙ্গাদের ভেতরকার কিছু অপশক্তি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেন, ‘রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ প্রত্যাবাসনের পক্ষেই কাজ করছিলেন। এ কারণে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।

রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি এখন দেশের সীমানা ছাপিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠার জন্ম দিয়েছে।

এছাড়া খুন হওয়ার দুদিন আগে রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ ২৭ সেপ্টেম্বর এক অডিও বার্তায় নিজের জীবন নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন।

মিয়ানমার সীমান্তের হোয়াইক্যংয়ের তেরসা ব্রিজে দাঁড়ালেই চোখে পড়ে বাংলাদেশ সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোনের ফ্রিকোয়েন্সি টাওয়ার।

টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার (বিটিআরসির) চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার বলেন, মিয়ানমার সরকার সীমান্তে যেসব টাওয়ার বসিয়েছে বলে বলা হচ্ছে তা নিয়ম অনুযায়ী তাদের সীমারেখার ভেতরেই বসিয়েছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।