বাংলাদেশে বিদেশিদের আনাগোনা সুশৃঙ্খল ও সহজ করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উত্থাপিত ‘ভিসা নীতিমালা-২০২৬’-এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন লাভ করেছে।
২০০৬ সালে প্রণীত পুরোনো ভিসা কাঠামোর আমূল পরিবর্তন ঘটিয়ে এ নতুন নীতি তৈরি করা হয়েছে। দীর্ঘ ২০ বছর পর এই সমন্বিত উদ্যোগ দেশের অভিবাসন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও সেবামুখী করে তুলবে।
নতুন ভিসা নীতিমালার মূল লক্ষ্যসমূহ
বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক বৃদ্ধি: বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (FDI), আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিশ্বমানের দক্ষ মানবসম্পদ আকৃষ্ট করা।
পর্যটন ও সে খাত: দেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা (Hospitality) খাতকে উৎসাহিত করতে প্রবাসীদের জন্য যাতায়াত সহজীকরণ।
প্রযুক্তি আদান-প্রদান: উন্নত বিশ্বের সঙ্গে প্রযুক্তিগত ও জ্ঞানভিত্তিক প্রবৃত্তি (Knowledge Transfer) ত্বরান্বিত করা।
কূটনৈতিক সামঞ্জস্য: আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ব্যবস্থাপনায় ‘পারস্পরিকতা নীতি’ বজায় রেখে জাতীয় নিরাপত্তা ও ভূ-রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করা।
একক ফ্রেমওয়ার্কে সমন্বিত সেবা
পূর্বে ভিসা সংক্রান্ত জারি করা সকল বিচ্ছিন্ন সার্কুলার বাতিল করে এই নতুন নীতিমালার আওতায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একটি একক, আধুনিক এবং সুনির্দিষ্ট ভিসা ফ্রেমওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে। এর ফলে বিদেশি নাগরিক, গবেষক ও উদ্যোক্তারা দ্রুত ও গতিশীল সেবা পাবেন, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।


