বিগত ৬ মাসে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি

বিগত ৬ মাসে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি

আর কিছুদিন পরেই পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে যাচ্ছে। আসন্ন রমজান মাসে গৃহীত কার্যক্রম এবং বিগত ৬ মাসে মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি বিষয়ে জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি সোমবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এমন তথ্য জানিয়েছেন।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় স্ব স্ব ক্ষেত্রে রমজান মাসে প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্যে সরবরাহ নিশ্চিত করার কাজ করছেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় যেহেতু খাদ্য দ্রব্যের উল্লেখযোগ্য পণ্য সরবরাহ করে তাই আমাদের পরিকল্পনা আপনাদের মাধ্যমে জনগণকে জানাতে চাই। পাশাপাশি বিগত ছয় মাসে মৎস্য অধিদপ্তর এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কাজের অগ্রগতি

 সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করতে চাই। আজকের এই সংবাদ সম্মেলনে আসার জন্যে আপনাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

 ঢাকা শহরে পবিত্র রমজান মাসে মাছমাংসডিম  দুধ সরবরাহ:

আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে মাংস, ডিম, দুধ ইত্যাদি সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীল রাখার নিমিত্তে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে

(ক)  ১লা রমজান থেকে ২৮শে রমজান পর্যন্ত ঢাকা শহরে ড্রেসড ব্রয়লার, ডিম, পাস্তুরিত দুধ এবং সারাদেশে ব্রয়লার, ডিম, পাস্তুরিত দুধ, গরুর মাংস ও খাসির মাংস সুলভ মূল্যে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এ কার্যক্রমে বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি), বাংলাদেশ ডেইরি এন্ড ফ্যাটেনিং ফারমার্স এসোসিয়েশন (বিডিএফএফএ) এবং দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাত প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য অংশীজন এবং প্রান্তিক খামারিগণ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবেন।

(খ) প্রাণিজ পণ্যের সুলভ মূল্য নিশ্চিতকরণ:

  • ড্রেসড ব্রয়লার মাংস (প্রতি কেজি)        ২৫০ টাকা
  • দুধ পাস্তুরিত (প্রতি লিটার)                 ৮০ টাকা
  • ডিম (প্রতি ডজন)                        ১১৪ টাকা
  • গরুর মাংস (প্রতি কেজি)               ৬৫০ টাকা                     

(গ) ঢাকা শহরের ২৫ টি স্থানে সুলভ মূল্যে প্রাণিজাত পণ্য বিক্রয়ের ক্ষেত্রে জুলাই বিপ্লবের সময় যে সকল স্থানে সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহন বেশি ছিল সে সকল স্থানকে অগ্রাধিকার প্রদান করা হয়েছে এবং বস্তি এলাকায় বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে। এই এলাকাগুলো হচ্ছে

১। সচিবালয়ের পাশে (আব্দুল গণি রোড)

২। খামারবাড়ী (ফার্মগেট)

৩। ষাটফুট রোড (মিরপুর)

৪। আজিমপুর মাতৃসদন (আজিমপুর)

৫। নয়াবাজার (পুরান ঢাকা)

৬। বনশ্রী

৭। হাজারীবাগ (সেকশন)

৮। আরামবাগ (মতিঝিল)

৯। মোহাম্মদপুর (বাবর রোড)

১০। কালশী (মিরপুর)

১১। যাত্রাবাড়ী (মানিক নগর গলির মুখে)

১২। শাহাজাদপুর (বাড্ডা)

১৩। কড়াইল বস্তি, বনানী

১৪। কামরাঙ্গীর চর

১৫। খিলগাঁও (রেল ক্রসিং দক্ষিণে)

১৬। নাখাল পাড়া (লুকাস মোড়)

১৭। সেগুন বাগিচা (কাঁচা বাজার)

১৮। বসিলা (মোহাম্মদপুর)

১৯। উত্তরা (হাউজ বিল্ডিং)

২০। রামপুরা (বাজার)

২১। মিরপুর ১০

২২। কল্যাণপুর (ঝিলপাড়)

২৩। তেজগাঁও

২৪। পুরান ঢাকা (বঙ্গবাজার)

২৫। কাকরাইল

(ঘ) প্রতিদিন সম্ভাব্য বিক্রয়ের পরিমান:

  • ডিম:               ৬০ হাজার পিস
  • পাস্তুরিত দুধ:       ৬ হাজার লিটার
  • ড্রেসড্ ব্রয়লার:      হাজার কেজি
  • গরুর মাংস:        ২০০০-২৫০০ কেজি

(ঙ) পবিত্র মাহে রমজানের এই বিপণন কার্যক্রম আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখ সকাল ১০:৩০ টায় সিরাজ মিয়া মেমোরিয়াল মডেল স্কুল প্রাঙ্গণ, দক্ষিণ বারিধারা আবাসিক এলাকা (ডিআইটি প্রজেক্ট), মেরুল বাড্ডা, ঢাকায় উদ্বোধন করা হবে।

 

 পবিত্র রমজান মাসে সারাদেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রম:

(ক) ঢাকা শহর ছাড়াও সারা দেশব্যাপী প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আয়োজনে জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সমন্বয়ে পবিত্র মাহে রমজানে বিপণন কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে প্রান্তিক খামারিগণকে সম্পৃক্ত করে বিপণন কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

 

(খ) বিভাগীয়/জেলা/উপজেলা শহরে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়:

  • বিভাগীয়/জেলা/উপজেলা পর্যায়ে প্রান্তিক খামারিদের সমন্বয়ে ড্রেসড ব্রয়লার, দুধ, ডিম, গরুর মাংস ও খাসির মাংস সুলভ মূল্যে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
  • জেলা প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে এ কার্যক্রম পরিচালনা

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।