× Banner
সর্বশেষ
ওভারথিংকিং ডিটক্স ব্লুপ্রিন্ট বইটির মোড়ক উন্মোচন করলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, অধিকাংশ জেলায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরছে প্রস্তাবিত কর্পোরেট গভর্ন্যান্স রুলস ২০২৬ নিয়ে আইসিএসবির সিপিডি প্রোগ্রাম মাগুরায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান পানি সম্পদমন্ত্রীর মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে পুশইন চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ঝিনাইদহে প্রথমবার পালিত হলো বিশ্ব পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবস তথ্য ও উপাত্তের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে কাজ করাই পেশাদার সাংবাদিকতার মূল দর্শন – তথ্যমন্ত্রী Inner Wheel Club of Dhaka Cosmopolitan 2026–2027 Handover Ceremony & Collar Exchange Program ব্যবসা সম্প্রসারণেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব, ব্যবসায়ীদের প্রতি পরিবেশমন্ত্রীর আহ্বান

বলাৎকারে রাজি না হওয়ায় রাজনকে হত্যা করা হয়

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৫

শাফী চৌধুরীঃ সিলেটে শিশু সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলায় ৬ম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। সোমবার দুপুর ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত আরো ৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আকবর হোসেন মৃধা।

আদালতে সাক্ষ্য প্রদানকারীরা হচ্ছেন- শেখপাড়ার বাসিন্দা গিয়াস উদ্দিন মেম্বার, কুমারগাঁওয়ের বাসিন্দা কুরবান আলী, আব্দুল করিম ও আফতাব মিয়া। রাজনের বাবার নিযুক্ত আইনজীবী শওকত চৌধুরী জানান, গিয়াস মেম্বার আদলতে আসামিদের নাম বলতে টালবাহানা করলে রাষ্ট্রপক্ষ তাকে বৈরী সাক্ষি হিসেবে ঘোষণা করি। তবে আসামি পক্ষের আইনজীবীদের জেরার মূখে গিয়াস মেম্বার বলেছেন, আসামি ময়দা চৌকিদার একজন শিশু ধর্ষনকারী। সে রাজনকে বলাৎকারের প্রস্তাব দেয়। রাজন তার কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ময়না চৌকিদার চোর চোর বলে চিৎকার দিলে তাকে চোর সন্দেহে পিটানো হয়। কে বা কারা তাকে পিটিয়েছেন তা আমি দেখিনি।

রাজনের বাবা আজিজুল রহমান জানান, রাজন হত্যার পরপরই আসামিদের পালিয়ে যেতে সহযোগীতা ও অর্থের বিনিময়ে পুলিশের মাধ্যমে আপসরফার চেষ্ঠার করেছিল গিয়াস উদ্দিন মেম্বার। তিনি আরো বলেন, কামরুলকে সৌদি পালাতে গিয়াস উদ্দিনই পুলিশের সাথে মধ্যস্থকারীর ভূমিকা পালন করেন।

আইনজীবী শওকত চৌধুরী জানান, কুরবান আলী, আব্দুল করিম ও আফতাব মিয়া তাদের সাক্ষ্যগ্রহণকালে আদালতকে বলেন, গত ৮ জুলাই বেলা দেড়টার দিকে কুমারগাঁও বাস স্ট্যান্ডের বেলালের দোকানের সামনে স্প্রিট বেকারের একটি মাইক্রোবাসের স্ট্রাডবন্ধ হয়ে যায়। এ সময় আমারাসহ লোকজন দৌঁড়ে গিয়ে কারণ জানতে চাইলে মাইক্রোবাসের ভিতরে একটি শিশুর লাশ দেখা যায়। তখন আমরা কারণ জানতে চাইলে মুহিদ, কামরুল, শামীম ও আলী হায়দার মাইক্রোবাস থেকে নেমে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়।

আমরা দৌঁড়ে শেখপাড়ার সামনে থেকে মুহিদকে আটক করি। পরে তাকে পুলিশে কাছে তুলে দেই। পুলিশ আমাদের সামনে রাজনের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে।ভরাজনের বাবার নিযুক্ত আইনজীবী শওকত চৌধুরী জানান, আজকের ৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে রাজন হত্যা মামলায় মোট ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। তিনি জানান, ১৩ ও ১৪ অক্টোবর এ মামলায় টানা সাক্ষ্যগ্রহণ করবেন আদালত।

এর আগে গতকাল ওই মামলায় সাক্ষি প্রদান করেছিলেন- পশ্চিম জাঙ্গাইলের বাসিন্দা মৃত আবদুস সাত্তারের ছেলে আনোয়ারুল হক, কুমারগাঁয়ের বাসিন্দা জাকিরের ছেলে বেলাল আহমদ ও দকির গ্রামের বাসিন্দা ইসকন্দর আলীর ছেলে আবদুল হান্নান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..