× Banner
সর্বশেষ
বাংলাদেশ-চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে রোহিঙ্গা ও করিডোর নিয়ে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাক্ষাৎ মধুখালীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট সভাপতি ও ইউনিট লিডারদের সাথে মতবিনিময় সভা যখনই বাংলাদেশের জনগণ বিপদে পড়েছে, চীন পাশে দাঁড়িয়েছে – ইয়াও ওয়েন দিল্লি বিক্ষোভের পর মোদি সরকারের কাছে রাহুল গান্ধীর ৫ দফা দাবি ইরান যুদ্ধের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার: পেন্টাগন প্রধান কোটালীপাড়ায় রুদ্রিকা দে রিংকি’র অন্নপ্রাশন ও ভাগবত পাঠ অনুষ্ঠিত টানা বৃষ্টিতে রাজধানীর বাজারে সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী আজ বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবস (World Brain Day), জেনে নিন মানিসক স্বাস্থ্য ভালো রাখার টিপস

ফৌজদারী মামলার আসামী মেম্বার পদপ্রার্থী; মাদক ব্যবসায়ী, জুয়াড়ি, সুদখোর

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬

বরিশাল থেকে ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি : মাদক ব্যবসায়ী, সুদখোর ও ফৌজদারী মামলার আসামী মো. হারুন সরদার নামের এক ব্যক্তি ৪নং চাখার ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার বরাবরে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। লেখাপড়া নাই বললেই চলে।

সে বহুদিন যাবৎ এলাকায় মুদি দোকান ব্যবসার পাশাপাশি মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছে। তার পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে নিজে অল্প সুদে টাকা এনে ওই টাকা এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে চড়া সুদে লাগিয়ে ব্যবসা করছেন।

রাত ১২টার পর তার দোকানের পাশে জুয়ার আসর বসান এলাকার যুবকদের নিয়ে। মাদক ও জুয়া ব্যবসার সুবাদে থানা পুলিশ ও ক্যাম্প পুলিশের সাথে তার সখ্যতা গড়ে ওঠে।

হারুনের বাড়ি দুই ইউনিয়নের মধ্যবর্তী হওয়াতে দুই চেয়ারম্যানের কাছ থেকে তার পরিবারের জন্য দুটি ভিজিএফ কার্ডও হাতিয়ে নিয়েছে সে। তার চেয়ে অস্বচ্ছল পরিবারও ভিজিএফ কার্ড পায়নি। সে বহু মিথ্যা মামলার অর্থ জোগানদাতা বলেও এলাকায় খোঁজ-খবর নিয়ে জানা যায়। নিরীহ মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করে আপোষ-মীমাংসার নামে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয় সে।

হারুন সরদার একটি ফৌজদারী মামলারও আসামী। যা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, বরিশাল, মামলা নং-৬০৫/২০১০ইং। উক্ত মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

শাহআলম নামের আরেক ব্যক্তি ৪নং চাখার ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার বরাবরে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। লেখাপড়া নাই বললেই চলে।

নিজের এলাকা ছেড়ে শ্বশুর বাড়ির কাছে কিছু জায়গা ক্রয় করে সেখানে ছোটখাট ইমারতও নির্মাণ করেছেন বসবাসের জন্য। এলাকা থেকে বিভিন্ন কায়দায় টাকা-পয়সা কামাই করে সে। তার কামাইয়ের ধরণ হলো বিচার ব্যবস্থার নামে পুলিশ এনে আসামী পক্ষ থেকে টাকা-পয়সা আদায় করে সেখান থেকে ভাগ-বাটোয়ারা করে নেয়। তার স্ত্রী এখনও মিয়া বাড়ি/শরীফ বাড়ি থেকে জাকাতের কাপড় ও টাকা-পয়সা সংগ্রহ করে আসছে বলে এলাকায় খোঁজ-খবর নিয়ে জানা যায়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..