নিউজ ডেস্ক: মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জাতিগত নিধনযজ্ঞের শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সমঝোতা চুক্তিকে ‘স্টান্ট’ বা লোক দেখানো হিসেবে আখ্যায়িত করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। খবর বিবিসি।
বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে এ সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম ইরাবতী জানিয়েছে, বুধবারেরমিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জাতিগত নিধনযজ্ঞের শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সমঝোতা চুক্তিকে ‘স্টান্ট’ বা লোক দেখানো হিসেবে আখ্যায়িত করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। খবর বিবিসি।
বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে এ সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম ইরাবতী জানিয়েছে, বুধবারের ওই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলোকে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। আর এইচআরডব্লিউ-এর শরণার্থী অধিকার বিষয়ক পরিচালক বিল ফ্রেলিক বলেছেন, রোহিঙ্গাদের পুড়ে যাওয়া গ্রামগুলোতে মিয়ানমার তাদের ফিরিয়ে নেবে এমন ধারণা হাস্যকর। এ ধরনের লোক দেখানো পদক্ষেপের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন দেওয়ার কোনও কারণ নেই। রাখাইনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ ছাড়া কোনও প্রত্যাবাসন সম্ভব না।
বিল ফ্রেলিক বলেন, নিজ দেশে ফেরার পর রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পে রাখার পরিকল্পনা করা যাবে না।তাদের জমি ফেরত দেওয়া, ধ্বংস করে দেওয়া ঘরবাড়ি, গ্রাম পুনর্গঠনের মতো শর্ত দিতে হবে। বাস্তবে এগুলো করা হলেও সেনাবাহিনী যদি কয়েক দশকের রোহিঙ্গা নিপীড়ন থেকে বেরিয়ে না আসে তাহলে নিজ দেশে ফিরতে রোহিঙ্গাদের মধ্যে আস্থা তৈরি করা কঠিন হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নেপিডোতে মিয়ানমার রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টার দপ্তরে দুইদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতায় বলা হয়েছে, দুই মাসের মধ্যে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়া শুরুর বিষয়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমঝোতা হয়েছে। স্বাক্ষরিত ওই সমঝোতায় তিন সপ্তাহের মধ্যে একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে।
ফিরে যাওয়ার প্রক্রিয়া হিসেবে রোহিঙ্গাদের ফরম পূরণ করতে হবে। সেখানে তাদের রাখাইনে বসবাসের ঠিকানা, জন্ম তারিখ ও পরিবারের সদস্যদের নাম থাকতে হবে। একইসঙ্গে স্বেচ্ছায় ফেরার প্রত্যায়নপত্রও দাখিল করতে হবে তাদের।
এর আগে ১৯৭৮ সালে দুইদেশ চুক্তি করেছিল। সেই চুক্তির অধীনে দুই লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা ছয় মাসের মধ্যে ফেরত গিয়েছিল। পরে ১৯৯২ সালে দুইদেশের মধ্যে সমঝোতায় ২০০৫ সাল পর্যন্ত দুই লাখ ৩৬ হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফেরত যায়।
কূটনীতিক ও ত্রাণকর্মীরা চুক্তিটিকে পূর্ণাঙ্গ মনে করছেন না। তারা বলছেন, জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার মতো আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোকে এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা উচিত। ওই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলোকে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। আর এইচআরডব্লিউ-এর শরণার্থী অধিকার বিষয়ক পরিচালক বিল ফ্রেলিক বলেছেন, রোহিঙ্গাদের পুড়ে যাওয়া গ্রামগুলোতে মিয়ানমার তাদের ফিরিয়ে নেবে এমন ধারণা হাস্যকর। এ ধরনের লোক দেখানো পদক্ষেপের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন দেওয়ার কোনও কারণ নেই। রাখাইনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ ছাড়া কোনও প্রত্যাবাসন সম্ভব না।
বিল ফ্রেলিক বলেন, নিজ দেশে ফেরার পর রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পে রাখার পরিকল্পনা করা যাবে না।তাদের জমি ফেরত দেওয়া, ধ্বংস করে দেওয়া ঘরবাড়ি, গ্রাম পুনর্গঠনের মতো শর্ত দিতে হবে। বাস্তবে এগুলো করা হলেও সেনাবাহিনী যদি কয়েক দশকের রোহিঙ্গা নিপীড়ন থেকে বেরিয়ে না আসে তাহলে নিজ দেশে ফিরতে রোহিঙ্গাদের মধ্যে আস্থা তৈরি করা কঠিন হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নেপিডোতে মিয়ানমার রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টার দপ্তরে দুইদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতায় বলা হয়েছে, দুই মাসের মধ্যে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়া শুরুর বিষয়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমঝোতা হয়েছে। স্বাক্ষরিত ওই সমঝোতায় তিন সপ্তাহের মধ্যে একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে।
ফিরে যাওয়ার প্রক্রিয়া হিসেবে রোহিঙ্গাদের ফরম পূরণ করতে হবে। সেখানে তাদের রাখাইনে বসবাসের ঠিকানা, জন্ম তারিখ ও পরিবারের সদস্যদের নাম থাকতে হবে। একইসঙ্গে স্বেচ্ছায় ফেরার প্রত্যায়নপত্রও দাখিল করতে হবে তাদের।
এর আগে ১৯৭৮ সালে দুইদেশ চুক্তি করেছিল। সেই চুক্তির অধীনে দুই লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা ছয় মাসের মধ্যে ফেরত গিয়েছিল। পরে ১৯৯২ সালে দুইদেশের মধ্যে সমঝোতায় ২০০৫ সাল পর্যন্ত দুই লাখ ৩৬ হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফেরত যায়।
কূটনীতিক ও ত্রাণকর্মীরা চুক্তিটিকে পূর্ণাঙ্গ মনে করছেন না। তারা বলছেন, জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার মতো আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোকে এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা উচিত।



